ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় সিলেটে ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

সু.খবর ডেস্ক
অবৈধভাবে নৌপথে ইতালি পাঠানোর সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় সিলেটে ট্রাভেলসের ব্যবসায়ীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওছার আহমদের আদালতে চাঞ্চল্যকর এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন সিআইডির ইকোনমি ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম খান।
আসামিরা হলেন, সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের রাজা ম্যানশনের নিউ ইয়াহিয়া ওভারসিজের মালিক এনামুল হক, গোলাপগঞ্জের জায়েদ আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজ্জাক হোসেন, নোয়াখালীর মনজুর হোসেন রুবেল, ইয়াকুব রিপন ও আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রের মূলহোতা লিবিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি নাসির উদ্দিন রুমান ওরফে গুডলাক। এনামুল হক ও আব্দুর রাজ্জাক কারাগারে থাকলেও বাকিরা পলাতক।
২০১৯ সালের ৯ মে ভূমধ্যসাগর হয়ে লিবিয়া থেকে ইতালি যাবার সময় সমুদ্রে নৌকাডুবিতে বাংলাদেশিসহ অন্তত ৬৫ জন মারা যান। এ ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সিলেট বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এ নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে গত বছরের ১৬ মে এনামুল হকসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মুহিদপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিন। তিনি ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত আব্দুল আজিজের ভাই।
এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম খান জানান, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ঢাকায় সাইফুল ইসলামকে অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মানবপাচারকারী এই চক্র স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে বিদেশে যেতে আগ্রহীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়া নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ভূমধ্যসাগর দিয়ে নৌকাযোগে ইতালি পাঠাত। এই চক্র লিবিয়ায় মানুষকে জিম্মি করে দেশে স্বজনদের কাছ থেকে টাকাও আদায় করত।
সূত্র : সমকাল