ভোটে লড়ছেন ১৬৬ প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার
জেলার সুনামগঞ্জ, জগন্নাথপুর ও ছাতক পৌরসভায় আজ শনিবার ভোট। ৩টি পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ১৬৬ জন প্রার্থী। এরমধ্যে মেয়র পদে ১০, সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলার পদে ১২০ এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ৩ পৌরসভার ৫৪ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। জগন্নাথপুর পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে। তিন পৌরসভায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহিৃত করা হয়েছে ৪৪ টি। শুক্রবার বিকালে জেলা নির্বাচন অফিস থেকে কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ সামগ্রী নিয়ে গেছেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
রিটার্নিং অফিসের দায়িত্বশীলরা জানান, একটি ভোট কেন্দ্রে একজন সাব ইন্সপেক্টরসহ ৭ জন পুলিশ, ব্যাটালিয়ান আনসার, সাধারণ আনসারসহ মোট ১৯ জন দায়িত্ব পালন করবেন।
ভোট কেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন সুনামগঞ্জ পৌরসভায় পুলিশের ৮ টি মোবাইল টিম। ৩ প্লাটুন বিজিবির মোবাইল টিম টহলে এবং একটি রিজার্ভে থাকবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে কাজ করবে বিজিবি। এই পৌরসভায় ২৩ কেন্দ্রের মধ্যে ১৯ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ চিহিৃত করা হয়েছে।
এছাড়া জগন্নাথপুর পৌরসভায় ১২ কেন্দ্রের মধ্যে ৭ টি ঝুঁকিপূর্ণ চিহিৃত করা হয়েছে। এই পৌরসভায় ভোট কেন্দ্রের বাইরে ৩ টি মোবাইল টিম ও ৩ টি স্টাইকিং ফোর্স কাজ করবে।
ছাতক পৌরসভার ১৯ কেন্দ্রের মধ্যে ৯ টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ৯ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহিৃত করা হয়েছে। এই পৌরসভায় পুলিশের ৮ টি মোবাইল টিম এবং ৪ টি স্টাইকিং ফোর্স কাজ করবে। র‌্যাবের টহল দল কাজ করবে তিন পৌরসভায়।
নির্বাচন উপলক্ষে গত ১০ জানুয়ারি ৩ পৌর এলাকায় ৩ জন প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনি দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োগ প্রদান করেছে নির্বাচন কমিশন।
সুনামগঞ্জ পৌরসভায় অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কুদরত এ ইলাহী, ছাতকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যজিস্ট্রেট শ্যাম কান্ত সিংহ এবং জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাগীব নূর দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটগ্রহণের পূর্বের দুই দিন, ভোটগ্রহণের দিন এবং ভোট গ্রহণের পরের দুই দিনের জন্য এই নিয়োগ প্রদান করা হয়।
নির্বাচনী এলাকাসমূহে যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৪৭ হাজার ১৫ জন ভোটার। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২৩ হাজার ২৩৮ এবং মহিলা ভোটার ২৩ হাজার ৭৭৭ জন। নির্বাচনে ২৩ টি কেন্দ্রে ১২৬ বুথে দায়িত্ব পালন করবেন ৪০১ জন ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তা। এরমধ্যে ২৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ১২৬ জন এবং পোলিং অফিসার ২৫২ জন।
সুনামগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাদের বখ্ত, বিএনপি’র মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুর্শেদ আলম, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রার্থী মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ।
সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৪৮ জন। ১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন আবুল হাসনাত মো: কাওছার, আব্দুস সাত্তার মো: মামুন, মো. হোসেন আহমদ রাসেল। এছাড়াও ২ নম্বর ওয়ার্ডে রাজ কুমার বর্মন, মঈন উদ্দিন আহমদ রিপন, মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম, শাহরিয়ার আহমদ রিগ্যান, সৈয়দ ইয়াছিনুর রশিদ, মোঃ আব্দুস সাত্তার। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ জাহিদুল ইসলাম তহুর, মোঃ মোশাররফ হোসেন, ফজর নুর, মোঃ মোতাহের আলী। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মিন্টু চৌধুরী, সাদিকুর রহমান খান, বোরহান উদ্দিন, চঞ্চল কুমার লোহ। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নীহার রঞ্জন দাস, মোঃ সাহিন মিয়া, গনেশ রায়, আবু বক্কর সিদ্দিক, এমদাদুল হক, গোলাম সাবেরীন, আলী আছহাব আহমদ, বিমান কান্তি রায়, মোঃ সামছুল ইসলাম পারভেজ। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আবাবিল নূর, মোঃ মনির উদ্দিন, রিগান আহমদ। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ এনামুল হক, আহসান জামিল আনাস, মোঃ সামসুজ্জামান স্বপন, জুয়েল আহমদ, মোছাদ্দেক হুসেন বাচ্চু। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ নবী হোসেন পীর, মোঃ সফিক মিয়া, আহমদ নূর এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ এনামুল হক, মোঃ রফিকুল ইসলাম রবিন, মোঃ গোলাম আহমদ, মোঃ মহিন উদ্দিন, মোঃ মনফর আলী, মোঃ খেলু মিয়া, মোঃ রুকন উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, সাইফুর রহমান, এম তাজুল ইসলাম তারেক, মোঃ কদর আলী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ১৩ জন। ১ নম্বর মহিলা আসনে পিয়ারা বেগম, সুজাতা রানী রায়, শিরিনা আক্তার, ২ নম্বর আসনে রিনা রহমান, সামিনা চৌধুরী, মাহীন চৌধুরী, চাঁদনী আক্তার, মোছাঃ মনোয়ারা আলম বন্যা, শেলী চৌহান ময়না, অর্চ্চনা চক্রবর্তী এবং ৩ নম্বর আসনে নাজমা আক্তার, মোছাঃ ময়না বিবি, সৈয়দা জাহানারা বেগম প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
এদিকে ছাতক পৌরসভা নির্বাচনে ১৯টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ২৮০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। মোট ভোটারদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৫ হাজার ২৭১ জন এবং নারী বোটার ১৫ হাজার ৯ জন। ছাতক পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম চৌধুরী ও বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রাশিদা আহমদ ন্যান্সি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। নির্বাচনে ৭৭ বুথে দায়িত্ব পালন করবেন ৭৭ সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ১২৬ জন এবং পোলিং অফিসার ১৫৪ জন।
সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৩৩ জন। এরমধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন মোহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়া, শাহ মোঃ আরজ মিয়া, নাজিমুল হক। এছাড়াও ২ নম্বর ওয়ার্ডে সুদীপ কুমার দে, মোঃ আফরুজ মিয়া, মোঃ বেলায়েত হোসেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ ফয়জুর রহমান, মোঃ কাওসার মিয়া চিশ্তী, মোঃ বারাম আলী, মোহাম্মদ রাসেল মিয়া, মোঃ আইনুল আহমেদ, মোঃ লিয়াকত আলী । ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ ধন মিয়া, রশিদ আহমদ, মোঃ রাশিদ আলী, মোঃ আবদুল্লাহ, মোঃ ফারুক মিয়া তালুকদার। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ ইরাজ মিয়া, মোঃ আছাব মিয়া, মোঃ খায়ের উদ্দিন। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, দেলওয়ার মাহমুদ জুয়েল বক্স, মাহবুব মিয়া। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তাপস চৌধুরী, মোঃ লায়েক মিয়া, হিমাংশু দাস। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ জুবায়েল আহমদ, শফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী আহমদ, মোঃ মাসুক মিয়া এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ছালেক মিয়া, দিলোয়ার হোসাইন, কয়েছ আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
সংরক্ষিত ৩ মহিলা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ১৪ জন। এরমধ্যে সংরক্ষিত ১ নম্বর মহিলা আসনে মোছাঃ সামছুন নাহার, মোছাঃ তহুরা আক্তার চৌধুরী, নুরেছা বেগম, মোছাঃ রুজিয়া বেগম, শিপ্রা রানী দাস, ২ নম্বর আসনে তাছলিমা জান্নাত কাকলী, মোছাঃ রুহেনা চৌধুরী, সুতপা দাস এবং ৩ নম্বর আসনে মিলন রানী দাস, রতœা রানী মালাকার, নুরুন নাহার, মোছাঃ হোছনে আরা, মোছাঃ নাজমা বেগম, জোসনা বেগম প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
অপরদিকে প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে জগন্নাথপুরে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখানে মোট ভোটার ২৮ হাজার, ৬শ’ ৪২ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ হাজার ৩৯২ এবং নারী ভোটার ১৪ হাজার ২৫০ জন।
জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন ৫ প্রার্থী। আওয়ামীলীগের মনোনীত মো. মিজানুর রশীদ ভূঁইয়া (নৌকা), বিএনপি মনোনীত মো. হারুনুজ্জামান (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী বিষ্ণু চন্দ্র রায় (জগ), মো. আক্তার হোসেন (ব্যাডমিন্টন) ও মো. আমজাদ আলী শফিক (মোবাইল ফোন) প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়ছেন। মোট ভোট কেন্দ্র ১২টি। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১২ জন, সহকারী প্রিজাইডিং ৭৫ জন, পোলিং কর্মকর্তা ১৫০ জন।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার মুজিবুর রহমান জানান, জগন্নাথপুরে প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে আজ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।
সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৩৯ জন। এরমধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ডে শাহীন আহমদ, মোঃ খলিলুর রহমান, মোঃ ছালিক মিয়া, মোঃ আব্দুল বাশির, মোঃ আব্দুল ওয়াহাব, মোঃ আলাউর রহমান, ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ ইমদাদুল হোসেন, মল্লিক ইমরান মিয়া, মোঃ জিতু মিয়া, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ আলাল হোসেন, মোঃ লিটন মিয়া, মোঃ তাজিবুর রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ আব্দুল কাইউম বাবর, মোঃ ফজর আলী, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ কবির মিয়া, সোহেল আমীন, দেলোয়ার হোসাইন, মোঃ বাবুল আহমদ বাবুল, মোঃ তাইফুর রহিম নাহিদ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ শফিকুল হক, মোঃ মঈনুদ্দিন. মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ আলী হোসেন, মোঃ আব্দুল কাদির, গোবিন্দ দেব, কৃষ্ণ চন্দ্র চন্দ, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শেখ মোঃ ইলিয়াছা আলী, মোঃ ছালিক আহমদ, সৈয়দ জিতু মিয়া, মোঃ সুহেল আহমদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে শামিম আহমদ, মোঃ সাফরোজ ইসলাম মুন্না, মোঃ আবাব মিয়া, মোঃ শাহানুল হক এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ আবু তালেব, মোঃ আনহার মিয়া, দীপক গোপ, মোঃ ছমির উদ্দিন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
সংরক্ষিত ৩ মহিলা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৯ জন। এরমধ্যে সংরক্ষিত ১ নম্বর মহিলা আসনে মোছাঃ শিল্পী বেগম, মোছাঃ আয়ারুন নেছা, সংরক্ষিত ২ নম্বর মহিলা আসনে অর্চনা ধর, মোছাঃ বাহারজান বিবি, মোছাঃ পিয়ারা বেগম, সংরক্ষিত ৩ নম্বর মহিলা আসনে সুর্বনা শর্মা, মোছাঃ বাবলী বেগম, মোছাঃ নার্গিস ইয়াসমিন, মোছাঃ ফুলবানু বেগম প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
সুনামগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরিফুল ইসলাম বললেন, নির্বাচন উৎসবমূখর হবে, কেউ চাইলেও নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার সুযোগ দেওয়া হবে না। একই মন্তব্য করে ছাতক ও জগন্নাথপুর পৌরসভার রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা নির্বাচন অফিসার মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার বললেন, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। ভোটারদের নির্ভয়ে আসা এবং ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরার সকল নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে।