মঙ্গলকাটা বাজারের পাশে সেতু নির্মাণের দাবি

আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের মঙ্গলকাটা বাজারের পাশে গত বন্যায় ভেঙে যাওয়া সড়কের সংস্কার কাজ না হওয়ায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি। এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে দীর্ঘ ৩ মাস যাবত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ও যানবাহন। ভোগান্তির শিকার স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত কার্লভাট সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
জানা যায়, ২০০৭ সালের বর্ষায় পাহাড়ি ঢলের প্রবল ¯্রােতে এই সড়ক এক দফা ভাঙে। পুনরায় ২০১৯ সালে এই সড়কে ভাঙন দেখা দেয়। দুই বারের ভাঙনে পার্শ্ববর্তী ঘরবাড়ি এবং ফসলি জমির মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলকাটা বাজার থেকে শুরু করে মুচরা পয়েন্ট পর্যন্ত কোনো কার্লভাট সেতু না থাকায় প্রতি বছর পাহাড়ি ঢলের প্রবল বেগ সৃষ্টি হয়। এই সময় দলাই নদীর পানি উপচে সড়কের একাধিক স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। এই সড়ক ভাঙনের কারণে চৌমুহনী মঙ্গলকাটা এলাকায় মানুষ ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলকাটা বাজারের ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিন বলেন,‘মঙ্গলকাটা-চৌমুহনী সড়ক বর্ষায় ভাঙনের পর মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। এই সড়কের উপর একটি কার্লভাট সেতু নির্মাণের দাবি আমাদের।’
মঙ্গলকাটা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রব বলেন,‘মঙ্গলকাটা-চৌমুহনী সড়ক সুরমার উত্তরপাড়ের মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ঢলের পানিতে এই সড়ক যাতে না ভাঙে সেজন্য টেকসই উন্নয়ন চাই।’
জাহাঙ্গীরগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মুকশেদ আলী বলেন,‘সড়কে ভাঙনের কারণে মানুষ ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। এলাকার কয়েকজনকে বলেছি, বাঁশের সাঁকো তৈরি করে মানুষের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দিতে। তাঁরা বাঁশের সাঁকো তৈরি করে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমি এই সড়ক নির্মাণের জন্য এখনও কোনো বরাদ্দ পাইনি। সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বার বার বলে আসছি।’
এলজিইডি’র সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন জানালেন, মঙ্গলকাটা বাজারের পাশের এই কালভার্ট সেতু নির্মাণের প্রকল্প উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।