মনের জোর বেড়েছে

মো. ওয়াসেক সাজ্জাদ
প্ল্যানিং ম্যানেজার-ব্র্যান্ডিং,
রিয়েলমি স্মার্টফোন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবসহ নানা সংগঠনে কাজ করার সময় বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান আয়োজনে যুক্ত ছিলাম। ৪০০-৫০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে কর্মশালা করেছি। কীভাবে একটা অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হয়, চ্যালেঞ্জ সামাল দিতে হয়, এসব তখনই শিখেছি। অনেক সময় কিছু কিছু কাজ কঠিন মনে হতো। ‘মনের জোর’ ছিল বলেই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানগুলো শেষ করতে পারতাম। আরেকটি বড় বিষয় হলো ‘টিম ওয়ার্ক’। দলে কে কোন কাজে ভালো, কার কাছ থেকে কীভাবে কাজ আদায় করতে হয়, কে কিসে অনুপ্রেরণা পায়- এসব দিকও খেয়াল রাখা চাই। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে শিখেছি সংগঠনের মাধ্যমে। সেই সব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পেশাজীবনে দেশের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল প্রদর্শনী, সরাসরি নাসার সঙ্গে যৌথ প্রকল্পের বাংলাদেশের অংশে প্রকল্প সমন্বয়কের ভূমিকায় কাজ করেছি। অনেক সময় পড়াশোনার পাশাপাশি এত ক্লাবে ব্যস্ত থাকলে অভিভাবকরা ভাবেন, পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে পপুলেশন সায়েন্সেসে স্নাতক করার সময় প্রায় ১৩টি ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। মনের জোর ছিল; ইচ্ছা ছিল ক্লাবে যেমন ভালো করব, পড়াশোনাতেও। স্নাতক শেষ করলাম প্রথম শ্রেণিতে চতুর্থ স্থান নিয়ে। ইচ্ছা ছিল ক্লাবের নেতৃত্ব দেওয়ার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কালচারাল সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। পরে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে মার্কেটিংয়ে ইএমবিএ শেষ করে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এসিবিএ সম্পন্ন করি। ক্লাবের অভিজ্ঞতা থেকে মনের জোর বেড়েছে বলেই লেগে থেকেছি।
সূত্র : প্রথমআলো