মন্ত্রীর আগমনে…

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
মন্ত্রীর আগমনে তরিৎ গতিতে সংস্কারহীন সড়কে অস্থায়ীভাবে মেরামতের কাজে নেমে পড়ে কর্তৃপক্ষ। তবে মন্ত্রী চলে যাওয়ার পর আর দেখা যায় নি সড়কের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের। শনিবার এমনটি দেখা গেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরশহেরর স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী সেতু এলাকায় জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কে।
জানা যায়, স্থানীয় সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি শনিবার দক্ষিণ সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ এলাকা থেকে জগন্নাথপুর উপজেলা সদরে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ছয়দিন ব্যাপি ফলদ বৃক্ষ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়ক দিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামসী গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য রওয়ানা দেওয়ার প্রস্তুুতি চলছিল। এই খবরে স্থানীয় এলজিইডি কার্যালয়ের উদ্যোগে জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কের জগন্নাথপুর পৌরশহরের স্বরূপ চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সেতু এলাকায় ভাঙা-চোরা আর গর্তে এলজিইডির ওয়ার্ক অ্যাসিস্টেন্ট ওমর ফারুকের (কাজের দেখভালের সহকারি কর্মকর্তা) তত্ত্বাবধানে ইটের কংক্রিট দিয়ে অস্থায়ীভাবে মেরামতের কাজ শুরু হয়। এসময় এক পথচারি আক্ষেপ করে বললেন, এভাবে যদি মন্ত্রী মহোদয় এই সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করতেন, তাহলে সড়কে আমাদের কষ্ট অনেকটা কমে যেতে। কারণ মন্ত্রী মহোদয় এলে কর্তৃপক্ষের টনকনড়ে।
ওই সড়কের কাজের দেখভালের দায়িত্বে থাকা ওয়ার্ক অ্যাসিস্টেন্ট ওমর ফারুক জানান, জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলিতে অস্থায়ীভাবে সংস্কার কাজ করা হচ্ছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার জানান, জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কের জগন্নাথপুরে অংশের ১৩ কিলোমিটার সড়কের সংস্কারের জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। দরপত্র প্রক্রিয়াধীন আছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিলেট বিভাগীয় শহরের সঙ্গে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলাব তিন লাখ মানুষের যাতায়াতের প্রধান সড়কটি হচ্ছে জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়ক। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে বেহাল অবস্থা হয়েছে। এ কারণে অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে।