মুকশেদপুর জলমহাল থেকে মাছ লুটের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
ধর্মপাশা উপজেলার বোয়ালীয়া (মুকশেদপুর দীঘর) জলমহাল থেকে জোর করে মাছ লুট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পার্শ্ববর্তী জামালগঞ্জ উপজেলার কড়ালজান জলমহালের ইজারাদার প্রভাকর রায়ের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করছেন মুকশেদপুর দীঘর জলমহালের ইজারাদার স্বরসতীপুর মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি আলকাছ মিয়া।
ঘটনার প্রতিকার চেয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য রবিবার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বরসতীপুর মৎস্যজীবী সমিতি ১৪২১ বাংলা থেকে মুকশেদপুর দীঘর জলমহালটি উন্নয়ন পরিকল্পনায় ইজারা নিয়ে খাজনা পরিশোধ করে ভোগ দখল করছেন। উন্নয়ন প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী জলমহালে মাছ সংরক্ষণ করে চলতি বছর মাছ ধরার কথা। কিন্তু পার্শ্ববর্তী জামালগঞ্জ উপজেলার কড়ালজান জলমহালের ইজারাদার প্রভাকর রায় বিভিন্ন সময়ে মুকশেদপুর দীঘর জলমহালের মাছ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে।
জোর করে মাছ লুটের বিষয়টি ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কড়ালজান জলমহালের ইজারাদার প্রভাকর রায়কে মুকশেদপুর দীঘর জলমহালে প্রবেশ করে মাছ না ধরতে অনুরোধ করেন এবং নীতিমালা মেনে মাছ ধরার অনুরোধ করেন। কিন্তু প্রভাকর রায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ অমান্য করে মুকশেদপুর মৌজার ২০৪০ নং দাগের জলমহালের জন্য সংরক্ষণকৃত মাছের ঘেড় থেকে দীঘর জলমহালের মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে মধ্যনগর থানার পুলিশ প্রভাকর রায়কে সরকারি সার্ভেয়ার দ্বারা সীমানা নির্ধারণ করে মাছ ধরার কথা বলেন এবং পার্শ্ববর্তী মুকশেদপুর দীঘর জলমহালে মাছ না ধরার জন্য নিষেধ করেন। কিন্তু সকল নিষেধ অমান্য করে প্রভাকর রায় অস্ত্র নিয়ে প্রতিদিন মাছ ধরছেন।
মাছ লুটের অভিযোগের বিষয়ে কড়ালজান জলমহালের ইজারাদার প্রভাকর রায় বলেন,‘ আমরা পার্শ্ববর্তী কোন জলমহালে জোর করে মাছ ধরছি না। হয়রানীর জন্য বিভিন্ন অফিসে আমাদের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শফিউল আলম বলেন,‘ মুকশেদপুর দীঘর জলমহালের ইজারাদার পার্শ্ববর্তী কড়ালজান জলমহালের ইজারাদারের বিরুদ্ধে জোর করে মাছ ধরার অভিযোগ করেছেন। বিষয়টির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলা হবে।’