যানজটে বিপাকে মানুষ/ শহরের ১৩ পয়েন্টে অবৈধ পার্কিং

লিপসন আহমেদ
পৌর শহরের প্রতিটি পয়েন্টে যানজট লেগে থাকায় অতিষ্ঠ জনজীবন। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে স্থানে পৌঁছতে পারছেন না মানুষজন। শুধু তাই নয়, যানজটের কারণে সঠিক সময়ে স্কুল, কৃলেজ, মাদ্রসায় পৌঁছতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। পৌর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের তদারকি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র আলফাত স্কায়ার। এই চত্বর দিয়ে শহরের বেশিরভাগ মানুষ যাতায়াত করেন। চত্বরের দুই পাশে সড়ক দখল করে অটোরিক্সা ও সিএনজির পার্কিং গড়ে উঠেছে। শুধু আলফাত স্কয়ার প নয়, শহরের গুরুত্বর্পূণ কালীবাড়ি পয়েন্ট, খামারখালী পয়েন্ট, পুরাতন বাস্টেশন, কোর্ট পয়েন্ট, নতুন বাসস্টেশন, ওয়েজখালী পয়েন্ট, ডিএস রোড, উকিলপাড়া, কাজীর পয়েন্ট, নবীনগর পয়েন্ট, মমিনুল মউজদীন রোড, হাসপাতাল পয়েন্টসহ ১৩ পয়েন্ট দখল করে অটোরিক্সা ও সিএনজির অবৈধ পার্কিং গড়ে উঠেছে। এতে শহরে প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, অটোরিক্সা ও সিএনজির চালকরা ইচ্ছে মতো যেখানে খুশি সেখানে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছেন, আবার সড়কের মাঝেই গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের তুলছেন। এতে যানজটের পাশাপাশি ঘটছে দুর্ঘটনাও। শহরের কিছু পয়েন্ট ট্রাফিক পুলিশ থাকলেও যানজট নিরসনের তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
জেলা ইজিবাইক মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের তথ্য মতে, পৌর শহরে সাড়ে ৬শ’ অটোরিক্সা লাইসেন্স নিয়ে চলাচল করছে। বাস্তবে হাজারেরও বেশি অটোরিক্সা চলছে।
হাসননগর এলাকার বাসিন্দা আহমেদ সুমন বলেন, যানজটের কারণে আমাদের অবস্থা নাজেহাল। আলফাত স্কয়ার থেকে কোর্ট পয়েন্ট যেতেই ৫ মিনিটের সড়ক ২০ মিনিট লেগে যায়। যানজট নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষের নজর দেয়া উচিত।
ডিএস রোডের কাপড় ব্যবসায়ী জুবায়ের আহমেদ বলেন, অটো সিএনজি চালকরা যেখানে সেখানে থামিয়ে যাত্রী তুলে। তাদের কিছু বললে, তারা আরো আমাদের গালাগালি করে।
জেলা ইজিবাইক মালিক শ্রমিক এক্য পরিষদের সভাপতি সোহেল আহমদ বলেন, পৌরসভার লাইসেন্স অনুমোদিত সাড়ে ৬শ’ অটোরিক্সা শহরে চলাচল করছে। লাইসেন্সবিহীন অটোরিস্কা শহরের ঢুকলে যানজটের সৃষ্টি হয়।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালী কৃষ্ণ পাল বলেন, সুনামগঞ্জে কোন অটোরিক্সার লাইসেন্স আমরা দিচ্ছি না। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন আমাদের সহযোগিতা করলে, যারা অবৈধ পার্কিং গড়ে তুলেছে তাদের উচ্ছেদ করা হবে।