রতনকে মনোনয়ন না দিতে ৯ মনোনয়ন প্রত্যাশীর চিঠি

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ- ১ (জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা-তাহিরপুর ও মধ্যনগর) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মঙ্গলবার দুপুরে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে বর্তমান এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনকে পরিবর্তন করে মাঠপর্যায়ের যে কাউকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানিয়ে মেইল পাঠিয়েছেন। রাজধানীর একটি হোটেলে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সভা করে সভানেত্রীর কাছে এমন মেইল পাঠান।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের ৯ মনোনয়ন প্রত্যাশী মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে বৈঠকে মিলিত হন। এসময় তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন বর্তমান সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনকে মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য আলাদাভাবে সকলেই সভানেত্রীর কাছে লিখিত মেইল পাঠিয়ে অনুরোধ জানাবেন।
বৈঠকে এই আসনের সাবেক সাংসদ সৈয়দ রফিকুল হক সুহেল, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি রেজাউল করিম শামীম, জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. আব্দুল করিম, সাবেক যুগ্ম সচিব বিনয় ভূষণ তালুকদার, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট রনজিত সরকার, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীমা শাহরিয়ার, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহবায়ক ড. রফিকুল ইসলাম তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল হাসান চৌধুরী ও যুক্তরাজ্য যুবলীগ নেতা শক্তিপদ রায় উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম শামীম বলেন,‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা আমাদের নিজ নিজ মেইল থেকে চিঠি পাঠিয়েছি। আমরা উল্লেখ করেছি সুনামগঞ্জ-১ আসনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হলে বর্তমান সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনকে পরিবর্তন করে অন্য জনপ্রিয় কাউকে মনোনয়ন দিতে হবে। তাঁকে (মোয়াজ্জেম হোসেন রতন) মনোনয়ন দিলে কোনভাবেই বিজয় সম্ভব নয়।’
সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনকে এমন আবেদনের বিষয়ে জানিয়ে তাঁর মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন,‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরা এ ধরণের কাদা ছুড়াছুড়ি করতে পারেন না। দলীয় সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। যারা এমন আবেদন করেছেন তাঁরা কোন দিন নৌকায় ভোট দিয়েছেন কিনা বা অতীতের নির্বাচনগুলোতে তাঁদের ভূমিকা কী ছিল গণমাধ্যমকর্মীরা জানেন।’
৯ মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাড়াও মঙ্গলবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য অমল কর, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নিজাম উদ্দিন ও শামীম আখঞ্জী।