রাজস্ব জমা হয়নি ৬৩ লাখ টাকা

আকবর হোসেন, জামালগঞ্জ
জামালগঞ্জ উপজেলার করালজান গ্রুপ জলমহালটি উন্নয়ন স্কীমের আওতায় উপজেলার নিকটবর্তী ও তীরবর্তী তিনটি সমিতি অংশ নেয়। অংশ গ্রহণকারী তিনটি সমিতির মধ্যে দুইটির একটি প্রতারণা ও অন্যটির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। অপর সমিতি হরিপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির অনুকুলে জলমহালটি ইজারা প্রদানের সুপারিশ করা হয়। অথচ এখনো জলমহালের সরকারী রাজস্ব আদায় হয়নি।
জলমহালের আশপাশের কয়েকশ’ গাছ ইতিমধ্যে কেটে ফেলছে একটি পক্ষ. উপজেলা প্রশাসন সরেজমিনে গাছ কাটার বিষয়টিও তদন্ত করেছেন। জলমহালের আশপাশের গাছ কাটার ফলে একদিকে যেমন পাখির অভয়াশ্রম নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে জীববৈচিত্রের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়ছে।  
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৩১ শে ডিসেম্বর জারিকৃত উপসচিব মো. তাজুল ইসলাম মিয়া স্বাক্ষরিত আদেশ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নিকট পত্র এবং উপজেলা  জলমহাল নীতিমালা বাস্তবায়ন কমিটি সূত্রে জানা যায়, করালজান জলমহাল গ্রুপ গেল বছর ১৪২৩ বাংলায় ইজারা প্রথা শেষ হয়। এর পর পরই ৩ টি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি উন্নয়ন স্কীম জমা দেয়। এদের মধ্যে একটি সমিতি প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ায় তাদের মধ্যে হরিপুর শাপলা সমবায় সমিতির নিবন্ধন বাতিল ও সোনাপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিকে আবেদন প্রত্যাহার করায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। অপর তীরবর্তী সমিতি হরিপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিকে ইজারা প্রদানের সুপারিশ করা হয়। অথচ এখনও খাজনা জমা দেয়নি তারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল  ইমরান বলেন, ‘ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে আদেশের পর খাজনা নিবে জেলা প্রশাসন পরে আমাদের চিঠি প্রদান করলে আমরা জলমহালটি মৎস্যজীবী সমিতিকে দখল সমঝিয়ে দেবো’।