রানীগঞ্জ সেতুর কাজ যথাসময়ে শেষ হবে -পরিকল্পনামন্ত্রী

জগন্নাথপুর অফিস
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি রানীগঞ্জ সেতুর কাজ পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার বিকেলে রানীগঞ্জ সেতুর কাজ পরিদর্শন শেষে কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে যথাসময়ে কাজ শেষ হওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন সুনামগঞ্জবাসীর জন্য এ সেতুটি খুব গুরত্বপূর্ণ। কম সময়ে আমরা এ সেতু নির্মাণ করে রাজধানীতে যাতায়াত করতে চাই।
তিনি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে রানীগঞ্জ সেতু নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে উপরোক্ত কথা বলেন।
সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকার দূরত্ব কমিয়ে আনতে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালে সুনামগঞ্জের পাগলা- রানীগঞ্জ আউশকান্দি মহাসড়কের কাজ শুরু হয়। ২০০১ সালে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে মহাসড়কের কাজ বন্ধ করে দেয়। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে সংসদ সদস্য এম এ মান্নান এই সড়কের কাজ শুরু করেন। ২০১৪ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়ে তিনি মহাসড়কের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ একনেকে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেন। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পে এ মহাসড়কটি স্থান পায়।
২০১৭ সালে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান যৌথভাবে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য রানীগঞ্জ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর কাজ শুরু হয়। ২০২০ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে সেতুর ১৬ টি পিলারের মধ্যে ১৪ টি পিলারের কাজ শেষ। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এমএম বিল্ডার্স এন্ড কোম্পানি সেতুর কাজ বাস্তবায়ন করছে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা মন্ত্রীকে জানানো হয়েছে, সেতুর ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ সিদ্দিক আহমদ, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আকমল হোসেন , উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, সহকারি কমিশনার ভূমি ইয়াসির আরাফাত, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী , জেলা পরিষদ সদস্য মাহাতাবুল হাসান সমুজ, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা মাসুম আহমদ, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সুন্দর আলী, সাধারণ সম্পাদক ছদরুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা সালেহ আহমদ প্রমুখ।