রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরপ্রতীক আব্দুল হালিমের দাফন সম্পন্ন

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বীরপ্রতীক সাবেক প্রকৌশলী আব্দুল হালিম এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় টেংরা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ ৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক এমপি, জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহসান শাহ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী অ্যাড. খায়রুল কবির রুমেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক, দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান আল তানভীর আশরাফী চৌধুরী বাবু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা প্রিয়াংকা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আহমদ, সাবেক মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার মো.সফর আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক, ছাতক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আহমদ, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, জসিম মাস্টার, আব্দুল হামিদ, আব্দুল ওয়াহিদ, শামীমুল ইসলাম শামিম, মিলন খান, জহিরুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান আমিরুল হক, কাজী আনোয়ার মিয়া আনু, শাহজাহান মাস্টার, খন্দকার মামুনুর রশীদ, সমাজ সেবা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ, এম এ হালিম ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এলাকার কয়েকজন ছাত্র-যুবককে নিয়ে যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের রেঙ্গুয়া বাজারে গিয়ে তাঁরা নাম লেখান মুক্তিবাহিনীতে। ইকো-১ ট্রেনিং সেন্টারে এক মাসের ট্রেনিং শেষে তাঁদের পাঠানো হয় ৫ নম্বর সেক্টরের বালাট সাব-সেক্টরে। সেখানে এক যুদ্ধে আহত হন তিনি। বালাট এলাকা সম্পর্কে তাঁদের কোনো ধারণা ছিল না। পরে তাঁদের নিজেদের এলাকায় পাঠানো হয়। তাঁদের মোট ৭৩ জন সেলা সাব-সেক্টরে এসে যোগ দেন। ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর সুরমা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫ হাজার ৪৪৫ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। গত বুধবার দুপুর ১.৩০ মিনিটে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন বীরপ্রতীক এম এ হলিম।