রাস্তার দুর্ভোগ মিটবে ১০ সহস্রাধিক মানুষের

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ১টি রাস্তার কাঁচা অংশ পাকা হওয়ায় দুর্ভোগ কমতে যাচ্ছে কমপক্ষে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের। উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের কামরূপদলং সংযোগ সড়কের কান্দিগাঁও জামে মসজিদের সামনা থেকে আলী হোসেনের বাড়ি পর্যন্ত ৫শ ২০ মিটার দৈঘ্যের্র রাস্তাটি নির্মাণ হচ্ছে । স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দক্ষিণ সুনামগঞ্জ শাখার আওতায় করানো এ রাস্তা তৈরির কাজ শেষ হলে সদরপুর, কামরূপদলং, পার্বতীপুর, সুলতানপুর, কান্দিগাঁও ও আস্তমা গ্রামের কিছু অংশসহ নাইন্দারপাড় খ্যাত এই পাঁচগ্রামের ১০ হাজারেরো বেশি সাধারণ মানুষসহ সহস্রাধিক কৃষকের চলাচলের প্রধান রাস্তা হিসেবে আরো কদর বাড়বে এ সড়কের। প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ সড়কের কাজের দীর্ঘ সময় থাকলেও আগামী দুই মাসের মধ্যেই স¤পূর্ণ কাজ করতে চায় উপজেলা এলজিইডি। এ নিয়ে স্বস্তি বিরাজ করছে এলাকার সাধারণের মনে। জানা যায়, বছর দু’এক আগে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে সংযোগ হয়ে সদরপুর, কামরূপদলং হয়ে কান্দিগাঁও জামে মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয় পাকা সড়কের কাজ। বাকী অংশ কাঁচা থেকে যায়। যা বৃষ্টি হলেই কাদা ও পানিতে ভরে উঠতো। চলাচলে অনুপযোগি হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগের অন্ত ছিলো না। এ রাস্তা দিয়ে ধানের বস্তা, ধান বোঝাই ঠ্যালাগাড়ি, গরুর গাড়ি, মাড়াইকল আনা নেওয়া যেনো একটি মহাকর্মযজ্ঞই ছিলো। কৃষকরা কাদাপানিতে ভরে এ রাস্তা ব্যবহার করতেন। এবছর ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ রাস্তার পুরো অংশ নির্মাণ হলে কান্দিগাঁওয়ের শেষ মাথা আলী হোসেনের বাড়ি পর্যন্ত যেতে কৃষকের দুঃখ, দুর্ভোগ কমে আসবে। আর এ পর্যন্ত যেতে পারলেই দেখার হাওরে পা রাখতে পারবেন তারা।
উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র প্রকৌশলী রুবাইয়াৎ জামান বলেন, ‘আমরা কাজ নিয়ে যতেষ্ট আন্তরিক। কাজের কোয়ালিটিতে কোনো কোনো ছাড় দেবো না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা কাজ শেষ করবো। কাজে বিরতির ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘আমরা একসাথেই কাজ করবো, বিরতিটা শুধু রাস্তা শুকানোর জন্যই নেবো।’