বুধবার বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ জনের

ধর্মপাশায় ১
ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশায় বজ্রপাতে জুয়েল মিয়া (১৮) নামের এক ধান কাটার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। জুয়েল মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুর্বাকান্দা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। বুধবার বেলা সাড়ে বারটার দিকে উপজেলার কাইল্যানি হাওরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, জুয়েল মিয়া ওইদিন সকাল থেকে কাইল্যানি হাওরে ধান কাটার কাজ করছিল। বেলা সাড়ে বারটার দিকে আকস্মিক বজ্রপাত হলে জুয়েল মিয়া গুরুতর আহত হয়। এ সময় তার সাথে থাকা শ্রমিকেরা দুপুর সোয়া একটার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অপরদিকে একই সময়ে সদর ইউনিয়নের বাহুটিয়াকান্দা গ্রামে বজ্রপাতে দিলহজ নামের ধান মাড়াইয়ের কাজে সম্পৃক্ত আরো এক শ্রমিক আহত হয়েছে। দিলহজ বাহুটিয়াকান্দা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। দিলহজ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাময়িক চিকিৎসা নিয়েছে।
ধর্মপাশা থানার ওসি সুরঞ্জিত তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
শাল্লায় ১
শাল্লা প্রতিনিধি
শাল্লা উপজেলার কালীকুটা হাওরে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন কৃষক আলমগীর হোসেন (২৩)। তিনি উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর (যুক্তি মিয়া) ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, কালীকুটা হাওরে ধান কাটছিলেন কৃষক আলমগীর হোসেন। ধান কাটার সময় দুপুর ১২ টায় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন নিহত আলমগীর হোসেনের লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
শাল্লা থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন জানান, ব্রজপাতে কালীকুটা হাওরে আলমগীর হোসেন নামের এক কৃষক মারা গেছেন বলে জানা গেছে।
দোয়ারায় ১
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজারে বজ্রপাতে ১ যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সে সুরমা ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের মৃত.একলাছ মিয়ার পুত্র মো. তাজুদ আলী (২০)।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলী নুর জানান, বুধবার দুপুরে তাজুদ আলী নৌকা যোগে সিলেটের উদ্দেশে রওয়ানা হন। সিলেট বিশ্বনাথ উপজেলার কাজাংসি ইউনিয়ন এলাকায় পৌছা মাত্র হটাৎ ঝড় বৃষ্টি শুরু হলে নৌকা সুরমা নদীর দক্ষিণ পাড়ে নৌকা লাগিয়ে শ্রমিক নিরাপদে নেমে যান। এসময় তাজুদ আলী নৌকার খুঁটি পুতার জন্য নেীকায় নৌকা থেকে নামলে বজ্রপাতে ঘটনার স্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার আত্মীয় স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। আজ পারিবারিক কবরস্থানে তাজুদ আলী দাফন সম্পন্ন করা হবে।