শহরের আচার্য পল্লীর ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা

স্টাফ রিপোর্টার
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বজ্রপাতের কারণে সৃষ্ট অগ্নিকান্ডে শহরের পশ্চিম তেঘরিয়া এলাকার আচার্য্য পল্লীতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এতে ৪টি বসতঘর পুড়ে যায়। আগুনে আসবাবপত্র ও নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল ভষ্মিভুত হয়।
স্থানীয় এলাকার লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘণ্টাব্যাপি চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকান্ডের শিকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হল-পাড়ার ভাড়াটিয়া আহমদ আলী, হনুফা বেগম, লাল মিয়া ও রিয়াজ উদ্দিন।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাতে বজ্রপাত হলে দুইটি বাসার গ্যাসের রাইজার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন লেগে যায়। দ্রুত আগুন বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও এলাকার লোকজন চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।
খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নুরুজ্জামান ও সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার প্রদীপ কুমার সিংহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপনসহ সহায়তা প্রদান করা হয়।
প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল, ডাল, তৈল, মরিচ, চিড়া, চিনি, মোমবাতি, দিয়াশলাই, দুইটি করে কম্বল, এক প্যাকেট শুকনো খাবার ও নগদ ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা তোলে দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নুরুজ্জামান ও সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার প্রদীপ কুমার সিংহ।
আগামী দুই দিনের মধ্যেই প্রত্যেক পরিবারকে বসতঘর নির্মাণের জন্য ঢেউটিন প্রদান করা হবে জানানো হয়।
এদিকে চারটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ ১০ হাজার টাকা করে নিজ তহবিল থেকে সহায়তা দিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান।
পুলিশ সুপারের পক্ষে দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পরিদর্শন করেন ও অর্থ সহায়তা তোলে দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুন নবী, সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডিআইও-টু আব্দুল লতিফ তরফদার, ডিবি পুলিশের ওসি কাজী মুক্তাদির হোসেন।
এদিকে শুক্রবার দুপুরে পৌরসভার মেয়র নাদের বখত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৫০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন এবং নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।