শহরের রাস্তায় গর্ত, পথচারীদের ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা। পৌর শহরের ষোলঘর পবন সেন্টারের সামনের রাস্তা দিয়ে দুই জন পথচারী যাচ্ছিলেন। হঠাৎ করে একটি সিএনজি তাদের পাশ দিয়ে দ্রুত গতিতে চলে যায়। সিএনজির চাকার চাপে রাস্তার গর্তের ময়লা পানি ছিটকে পড়ে তাদের উপর।
এই অবস্থা শুধু ষোলঘর সড়ক নয়। পুরাতন বাসস্টেশন রোড, আলফাত স্কয়ার, নবীনগর, উকিলপাড়া, নতুনপাড়া, মোহাম্মদপুরসহ শহরের বিভিন্ন সড়কের। সংস্কার না করায় সড়কে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে যায়।
পথচারী রনি দাস বলেন, রাস্তা দিয়া হাঁটাই মুশকিল অইগেছে। রাস্তার গর্তে পানি জমে থাকে আর গাড়ি আইলে ভিজাইয়া যাইনগি। মারাত্মক ভোগান্তিতে আছি।’
আর একজন পথচারী নয়ন রায় বলেন, ‘হাইট্টা যাইতাছি, গাড়িয়ে ভিজাইয়া গেছেগি। রাস্তার এইসব গর্ত মেরামত না করলে এই ভোগান্তির শেষ হইত না।
ষোলঘর এলাকার দোকানদার মিজানুর রহমান বলেন, দোকানের সামনে রাস্তাত বড় বড় গর্ত। ইতাত পানি জইম্মা থাকে। রাস্তা দিয়া গাড়ি গেলে পানি ছিটকে দোকান পর্যন্ত আয়।
শুধু পথচারিরা নয়, রাস্তায় গর্তের কারণে ভোগান্তিতে আছেন রিকশা চালকেরাও। রিক্সাচালক মো. সমর আলী বলেন, রাস্তায় গর্তের কারণে রিক্সার শিক ভাঙ্গি যায়, ঘন ঘন টিউব বাষ্ট মারে, স্কুপ ছিরি যায়। ফ্রকও ভাঙ্গে। রিক্সা চালানি খুবই কষ্ট হই যায় ইতাত।
আর একজন রিক্সাচালক জুয়েল আহমদ বলেন, রাস্তাত এত গর্ত যে পেসিঞ্জার ঠিকমত বইত পারে না। খালি কয় ঠিক কইরা চালাইতাম। রাস্তাত ভাঙ্গা কেমনে ঠিক কইরা চালাইতাম। নিজেরও কষ্ট পেসিঞ্জারেরও কষ্ট।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোশাররফ হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারছিনা। বৃষ্টি কমলে আমরা কার্যকরী পদক্ষেপ নেব।