শান্তিতে থাকুন প্রিয় মুজিব ভাই

রোকেস লেইস
মুজিব ভাই মহুকুমা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে থাকাবস্থায় ছাত্রলীগ এর সদস্য হই। চার আনা সদস্য ফি দিয়ে রশিদ প্রাপ্ত হয়ে ১৯৬৯ সনে। পর্যায়ক্রমে ঐ সময়ে ছাত্র রাজনীতির নেতৃত্বে থাকা অনেকের মতো মুজিব ভাইয়ের সাহচর্যে আসার সুযোগ হয়। তখন থেকেই উনার স্নেহধন্য।
দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র কয়েকদিন পূর্বে বালাটে মুজিব ভাইয়ের সাথে দেখা হওয়া মাত্রই প্রচন্ড দায়িত্ব নিয়ে কাছে ডেকে নেন। উনাদের ক্যাম্প দেখিয়ে ওখানে যেতে বলেন। সামনে দাঁড়িয়ে দেখা; অস্ত্র হাতে প্রথম মুক্তিযুদ্ধা মুজিব ভাই, কিশোর মনে এক ভিন্ন রকম শ্রদ্ধার স্থান করে নেন। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রায়ই শহীদ মিনার ও পুরাতন কোর্ট চত্বরে ছাত্রলীগ এর আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হতো, একজন সফল সংগঠক হিসাবে উনার দায়িত্বশীলতা, কর্মী হিসাবে কাছে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। জাসদ এর জন্মলগ্ন থেকে ঐ ধারার সাথে থাকায় আরো কাছে থেকে মুজিব ভাইকে জানার সুযোগ হয়। একজন তুখোড় বক্তা, নিবেদিত সংগঠক, সফল নেতৃত্বগুণের অধিকারী অমায়িক একজন মানুষ। সর্বশেষ সপ্তাহ দুয়েক আগে জেলা জাসদের সভাপতি আতম সালেহকে দেখতে গিয়ে কথা বলা অবস্থায় মুজিব ভাই আসেন। উনার অসুস্থতা, শারীরিক অবস্থাসহ সামাজিক রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা হয়। আর ঐ সাক্ষাৎটাই মুজিব ভাইয়ের সাথে শেষ সাক্ষাৎ হয়ে থাকলো। মুজিব ভাই ওপারে ভালো থাকুন শান্তিতে থাকুন, এই আমার একান্ত কামনা।
লেখক: আইনজীবী, সাবেক সভাপতি, সুজেআস, ও সিনিয়র সহসভাপতি, জেলা জাসদ।