শাল্লায় কাজ না করেই প্রকল্পের টাকা গায়েব

পিসি দাশ, শাল্লা
শাল্লা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের কালিচরন দাসের বাড়ির একটি মন্দিরের জন্য জেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দকৃত ১ লাখ ৮২ হাজার টাকার একটি প্রকল্পের হদিস নেই। অর্থ উত্তোলন করে গায়েব করার অভিযোগ হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কালিচরন দাস।
জানা যায়, ২০১৮ অর্থ বছরে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ হতে উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর গ্রামে কালীচরণ দাসের বাড়ির কালীমন্দির উন্নয়নের জন্য ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। মন্দির উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পান সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য প্রসেনজিৎ দাস। কিন্তু মন্দিরের কোনো উন্নয়ন কাজ না করেই অর্থ উত্তোলন করে সম্পূর্ণ টাকা গায়েব করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী কালীচরণ দাস বলেন, কালীমন্দিরটি আমার বাড়িতে অবস্থিত। এই মন্দিরের নামে জেলা পরিষদ থেকে ১ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে একথা গ্রামের সবাই জানে। এখন খবর নিয়ে জানতে পাড়ি ইউপি সদস্য প্রসেনজিৎ দাস মন্দিরের কাজ না করেই সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
এ ব্যাপাে ইউপি সদস্য প্রসেনজিৎ দাসের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তিনি ফোন কেটে দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদির হোসেন বলেন, কালিচরন দাস নামে একজন অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।