শিক্ষা ও শিক্ষকদের আরও উন্নয়ন হবে -এমএ মান্নান

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার থাকলে শিক্ষা ও শিক্ষকদের জীবনমান উন্নত হবে। এই সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে যে কোনো সরকারের তুলনায় সবচেয়ে সফল শিক্ষা বান্ধব সরকার। এই সরকার গত দশ বছরে রেকর্ড পরিমাণ বাজেট শিক্ষাখাতের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে। বছরের প্রথম দিন দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দিচ্ছে। দেশকে নিরক্ষরতা মুক্ত করতে সরকার ইতোমধ্যে অনেক পরিকল্পনা করেছে। যা শুধুমাত্র বাস্তবায়নের অপেক্ষা।’
শিক্ষা পদ্ধতির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাকে আলাদা করে ভাগ করা যাবে না। একত্রীকরণ করতে হবে। শিক্ষার মান রক্ষায় জনবান্ধব শিক্ষাকে পুরোপুরিভাবে গ্রহণ করতে হবে। এমপিও, নন এমপিও বলে কোনো সেক্টর এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকবে না। সরকার সকল সেক্টরকেই গুরুত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। শুধুমাত্র সময় আর সুযোগের অপেক্ষা।’
স্থানীয় শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোর কথা উল্লেখ করে এমএ মান্নান বলেন, ‘আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি আমার এলাকায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে উন্নত করতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার আলাদা দুর্বলতা কাজ করে। আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
শনিবার বিকাল ৩ টায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার শান্তিগঞ্জস্থ এফআইভিডিবি’র সম্মেলনকক্ষে উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারিগণের পক্ষ থেকে তাঁকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান।
পাগলা সরকারি মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ রমিজ উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে ভবন সংকটের কথা জানালে প্রতিমন্ত্রী ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ সুনামগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সফি উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন সম্মিলিতভাবে উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক ও কর্মচারিবৃন্দ।
উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ডুংরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মাও. নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারি সমিতির সভাপতি ও সরকারি জয়কলস উজানীগাঁও রশিদীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শচীন্দ্র চন্দ্র বর্মন, পাগলা সরকারি মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ রমিজ উদ্দিন, আক্তাপাড়া আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারি সমিতির সভাপতি মাও. মো. ময়নুল হক, দামোদরতপী-মাহমদপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারি সমিতির সাধারণ সম্পাদ মাও. মো. শহিদুল ইসলাম, উমেদনগর হজরত শাহজালাল (র.) দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোস্তাক আহমদ, ইশাখপুর-শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান, পাগলা সরকারি মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজের সহকারি শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম, আবদুল মজিদ কলেজের প্রভাষক নূর হোসেন, আবদুল গফুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো. কনর মিয়া, নোয়াখালী সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নজিবুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য জহিরুল ইসলাম, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, আবদুল মজিদ কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, সুরমা হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম, বীরগাঁও ইমদাদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজ মিয়া, পঞ্চগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাই, ডুংরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মোনায়েম, সপ্তগ্রাম হলদারকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জালাল উদ্দিন, গনিনগর ষোলগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণমোহন দাশ, নোয়াখালি সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বেন্দু কুমার দেব, সাতগাঁও জীবদারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ, আবদুর রশিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুখময় দাস, আবদুল গফুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইউসুফ আলী, পূর্ব পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃত্যুঞ্জয় সরকার, জেবিবি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিভাস চন্দ্র বিশ্বাস, গাগলী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফুল মিয়া, আমরিয়া আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. আবু নছর মুহাম্মদ ইব্রাহিম, আক্রম আলী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাও. রফিকুল ইসলাম, বীরগাঁও ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাও. জুবায়ের আল মাহমুদ, বায়তুল হিকমা দাখিল মাদ্রাসার সুপার শফিকুর রহমান, ঘোড়াডুম্বুর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাও. নাজমুল হুদা মিছবাহ্ প্রমুখ।