শেষ হলো প্রচারণা

স্টাফ রিপোর্টার
জেলা পরিষদ নির্বাচনের সব ধরনের প্রচার শেষ হয়েছে শনিবার মধ্যরাতে। আগামীকাল সোমবার সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে এবার ইভিএমে ভোট নেওয়া হবে এবং প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে। ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ থাকবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও। নির্বাচনে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ করবেন। কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ থাকবে। র‌্যাবও টহল দেবে।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি নুরুল হুদা মুকুট এবং আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাড. খায়রুল কবির রুমেন। এছাড়াও নির্বাচনে সংরক্ষিত পদে ১১ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৩৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১২ কেন্দ্রের ২৪ বুথে স্থানীয় সরকারের ১২২৯ জন প্রতিনিধি জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট দেবেন।
এদিকে জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষে যানবাহন ও নৌযান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৬ অক্টোবর মধ্যরাত (রাত ১২ টা) থেকে ১৭ অক্টোবর মধ্যরাত (রাত ১২টা) পর্যন্ত বেবী টেক্সী/ অটোরিক্সা/ইজিবাইক, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জীপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, ইজিবাইক ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন যন্ত্র চালিত নানা যানবাহন, ইঞ্জিন চালিত নৌযান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
এছাড়াও ১৪ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ১৮ অক্টোবর সকাল ৬ টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনী এজেন্ট, দেশি বা বিদেশি পর্যবেক্ষকদের (পরিচয়পত্র থাকতে হবে) চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য। তাছাড়া, নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি বা বিদেশি সাংবাদিক (পরিচয়পত্র থাকতে হবে), নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক এবং কতিপয় জরুরী কাজে যেমন অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
এ ছাড়া জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এরূপ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারবেন।