শ্রমিকদের কর্মহীনতার প্রভাব বাজারে

এম. এ রাজ্জাক, তাহিরপুর
ঈদের বাকী মাত্র আর ৫ দিন। অথচ তাহিরপুর উপজেলার বাজারগুলোতে এখনও জমে উঠেনি ঈদ বাজার। কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলেছেন, উপজেলার তিনটি (বড়ছরা-চারাগাও-বাগলী) শুল্কস্টেশনের ডিপোতে কয়লা ও যাদুকাটা নদীতে বালু বিক্রি না হওয়ায় কয়লা ও বালু শ্রমিকরা কাজ করতে না পারায় এ বছর ঈদের আমেজ তেমন নেই।
উপজেলা অনেকেই বলেছেন, এবছর বোর ফসল উঠলেও কৃষকদের অন্য বছরের মতো ধান বিক্রি করে ঈদ বাজার করতে দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেলেও দাম বেশী হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা জামা-কাপড় কিনতে হিমসিম খাচ্ছেন। দোকানগুলোতে লক্ষ্য করা গেছে এবছর নারী ও শিশু ক্রেতার সংখ্যাই একটু বেশী। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য দোকানিরা নানা রকম পোষাক সাজিয়েছেন তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।
বাদাঘাট বাজারের গার্মেন্টেসের মালিক ইছাক আলী জানিয়েছেন, বড়ছরা- চারাগাঁও-বাগলী যাদুকাটা নদীতে কাজ না থাকায় অন্য বছরের তুলনায় এবার কিছুটা কাপড় চোপড় কম বিক্রি হচ্ছে।
রবিবার উপজেলার সবচেয়ে বড় বাজার বাদাঘাটে গিয়ে দেখা যায়, নারী, শিশু এবং তরুণ-তরুণীরা পোষাকের দোকানগুলো ভিড় করে আছেন। তাদের পছন্দের পোষাক খুঁজে দিতে দোকানিরা হিমশিম খাচ্ছেন। তবে সে তুলনায় বিক্রি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন দোকানিরা।
আর ক্রেতারা বলছেন পোষাকের মূল্য এবছর একটু বেশী হওয়ায় হিমসিম খেতে হচ্ছে তাদের ।