সংঘর্ষের আ.লীগ কর্মীর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার
আজমল হোসেন নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মী সংঘর্ষের সময় মারা গেছে, এমন সংবাদ বিকেল চার টার পর দিরাই শহরে ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক বিবদমান দুইপক্ষই ওই কর্মী নিজেদের দাবি করে।
সাবেক পৌর মেয়র মোশারফ মিয়া বলেছেন, ছেলেটি তার মিছিলে ছিল, বুকের বামপাশে ইট এসে পড়ায় গুরুতর আহত হয় সে। পরে হাসপাতালে গিয়ে মারা যায়।
মঞ্চে থাকা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বল জানিয়েছেন, দিরাইয়ের নেতারা তাকে জানিয়েছেন, মিছিলে নয়, এই ছেলেটি আগে থেকেই মঞ্চের পাশে দাঁড়ানো ছিল।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান বক্তব্য দেবার সময় এক কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।
দিরাই থানার ওসি সাইফুল আলম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আজমল হোসেন মারা গেছেন জানিয়ে বললেন, সে আওয়ামী লীগের কর্মী কি না, বা সমাবেশে ছিল কি না, আমরা জানি না।
দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার বেলায়েত হোসেনও বললেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই আজমল মারা গেছেন। তিনি উপজেলার কুলঞ্জ গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে। তার শরীরে কোন আঘাত পাওয়া যায় নি। পরিবারের লোকজন তার মরদেহ নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন।