সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ-আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করে শিক্ষক পদায়ন

স্টাফ রিপোর্টার
হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মামলায় জড়িত স্কুলগুলোতে প্রধান শিক্ষক পদায়ন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আদেশ অমান্য করার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষকরা সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেছেন । সোমবার বিকালে শহরের উকিল পাড়াস্থ প্রেসক্লাব মিনলায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পঞ্চানন বালার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে শিক্ষকরা বলেন, ‘সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সদ্য জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন অব্যাহত রেখছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ অমান্য করে তিনি মনগড়াভাবে শিক্ষক পদায়ন অব্যাহত রেখেছেন। এতে আমাদের শিক্ষকদের অপূরণীয় ক্ষতিসহ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। হাইকোর্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তা উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) পদায়ন করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে আইন অমান্য করার প্রতিবাদে হাইকোর্টে একটি মামলাও হয়েছে। রীট পিটিশন মোকাদ্দমার আদেশ অনুসরণ না করে তিনি বেআইনি কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছেন। আদালত অবমাননার জন্য উক্ত অফিসারের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পরও তিনি কর্ণপাত করছেন না। তাঁর খুটির জোর কোথায় তা আমাদের বোধগম্য নয়। মামলায় জড়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষার্থীদের ক্ষতির সম্ভবনা জেনেও তিনি নানা অনিয়ম, দুর্নীতিতে লিপ্ত রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, দিরাইয়ের ধাপখাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ. রউফ, সদর উপজেলার জগন্নাথপুর-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীম উদ্দিন, ধলাইরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আ. শহীদ, হোসেন বখত ফরিদা বখত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কলি তালুকদার,দক্ষিণ সুনামগঞ্জের ডুংরিয়া উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম আজাদ, সুলতানপুর আব্দুল মজিদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রনধির মজুমদার, দক্ষিণ সুনামগঞ্জের সিদখাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধান চন্দ্র দাশ, বিশ^ম্ভরপুর ডলুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাসজিদুল ইসলাম, বিশ^ম্ভরপুর বাঘবেড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল মতিন।