সকলেই এখন হোম কোয়ারেন্টাইনে

স্টাফ রিপোর্টার
করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস ঢাকার মেয়র, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও কয়েকটি জেলার জেলা প্রশাসকগণের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেছেন, ‘কার্যত সকলেই এখন হোম কোয়ারেন্টাইনে।’ মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৪ টায় ভিডিও কনফারেন্স এই নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি জানিয়ে দেন, ওষুধের দোকান ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান ছাড়া সকল প্রকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রাখতে হবে। সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করতে হবে। গণপরিবহন চলাচল সীমিত থাকবে। বিদেশ ফেরতদের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও স্বাস্থ্য বিভাগকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে প্রবাসীদের।
তিনি জানান, করোনা ভাইরাসের অজুহাতে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করা যাবে না। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও থানার অফিসার ইনচার্জ এর সমন্বয়ে বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে। জ্বর, সর্দি,কাশি ও করোনা’র লক্ষণ রয়েছে এমন ব্যক্তি গণপরিবহনে চলাচল করতে পারবেন না। হোম কোয়ারেন্টইন আছেন এমন ব্যক্তির পরিবারের সদস্যগণ জনসমাবেশ,ধর্মীয়,সামাজিক,সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশগ্রহণ করবেন না।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কোন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। নিজ নিজ আসাবস্থলে অবস্থান করতে হবে। জেলা পর্যায়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পরিবহনের জন্য অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখতে হবে।
২৬ মার্চ হতে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়ার কারণ হচ্ছে প্রত্যেকটি পরিবার হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য।
ভিডিও কনফারেন্সে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সংযুক্ত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান (বিপিএম), জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবীর ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মো. শামস উদ্দিন, সুনামগঞ্জ স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ প্রমুখ।