সদর আসনে আর লাঙল চাই না-মুকুট

বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট সি.আই.পি নির্বাচিত হওয়ায় বিশ্বম্ভরপুরে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে এই সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমদ মানিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দীলিপ কুমার বর্মনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান।
সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাচনাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম, জেলা পরিষদ সদস্য শামছুজ্জামান শাহ, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুলেমান তালুকদার, পলাশ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম, ধনপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার, ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান রনজিত চৌধুরী রাজন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আপ্তাব উদ্দীন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খালেদ মাহমুদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক মামুনুর রশিদ মামুন, বিশ্বম্ভরপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুর রহমান সাজু, আওয়ামী লীগ নেত্রী আফরুজা আক্তার রীনা, যুবলীগ নেতা দিলোয়ার হোসেন দিলু, শ্রমিক লীগ নেতা আব্দুল আউয়াল, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোশারুফ হোসেন ও জুয়েল আহমদ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ নেতা সেলিম আহমদ মিঠু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হুমায়ূন কবির পাপন, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল প্রমুখ।
সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট বলেন,‘ সুনামগঞ্জ সদর আসনে আর লাঙলের প্রার্থী দেখতে চাই না। গত ৫ বছরে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের (বিশ্বম্ভরপুর ও সুনামগঞ্জ সদর) কোন উন্নয়ন হয়নি। সারা দেশে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও অবহেলিত রয়েছে এই জনপদ।’
তিনি আরও বলেন,‘আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ। সবাই দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে এ আসনের জন্য নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পেতে প্রধানমন্ত্রী নিকট দাবি জানিয়েছেন।’
তিনি বলেন,‘আমি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর এ পর্যন্ত বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ১ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন ও চলমান রয়েছে।’ আগামী ৩ বছরের মধ্যে বিশ্বম্ভরপুরের উন্নয়ন চাহিদা পূরণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মতিউর রহমান বলেন,‘ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং দলীয় এমপি পাশে থাকলে সার্বিক সুবিধা ও উন্নয়ন হবে। আমি এমপি থাকাকালীন বিশ্বম্ভরপুর এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছি। আমি বিলাশবহুল জীবনযাপন করতে চাই না, নিজের স্বার্থ চাই না। আমি শেষ বয়সের বাকি দিনগুলোতে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চাই। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এ আসনে নৌকা প্রতীকে আমাকে প্রার্থী করা হলে পরিকল্পনা মাফিক সকল উন্নয়ন করব এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’