সম্মেলনকে কেন্দ্র করে মারধর ভাঙচুর, আহত ৩

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মধ্যনগর বাজারে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, আগামী ৮ নভেম্বর মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন নূরীর নেতৃত্বাধীন নেতাকর্মী এবং ওই কমিটির সদস্য মোবারক হোসেন তালুকদার ও কুতুব উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মীর মধ্যে দ্বিধা বিভক্তির সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনকে সফল করার লক্ষে মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির পক্ষ থেকে সোমবার সকাল ১১টায় মধ্যনগর বাজারে প্রচার মিছিলের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। ওই মিছিলে যোগ দিতে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য আজিম মাহমুদ তার সমর্থিত লোকজন নিয়ে মধ্যনগর বাজারে পৌঁছালে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় আজিম মাহমুদের সাথে থাকা সোহাগ, বশির, কবির নামের আরও তিনজন প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হন। এসময় কয়েকটি মোটরবাইক ভাঙচুর করা হয়।
গিয়াস উদ্দিন নূরী সমর্থিত নেতা পরিতোষ সরকারসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের দাবি সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য মোবারক হোসেন তালুকদার, কুতুব উদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম খানসহ ২০/২৫ নেতাকর্মী আজিম মাহমুদের লোকজনের উপর হামলা ও তাদের মোটরবাইক ভাঙচুর করেছে।
তবে মোবারক হোসেন বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম। আলমগীর খসরু নামের এক ব্যক্তি হট্টগোলের বিষয়টি আমাকে মুঠোফোনে জানায়। পরে আমি সেখানে উপস্থিত হই।’ আলমগীর খসরুর সাথে কথা বলে মোবারক হোসেনের এমন কথার সত্যতা পাওয়া যায়।
কিন্তু কুতুব উদ্দিন বলেন, ‘গিয়াস উদ্দিন নূরীর লোকজন নিজেদের মধ্যে পদ পদবী ভাগাভাগি নিয়ে গন্ডগোল হয়েছে। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে গন্ডগোল থামাতে চেষ্টা করি।’
মধ্যনগর থানার ওসি সেলিম নেওয়াজ বলেন, ‘সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিবদমান দুই গ্রুপের মধ্যে কিছু সমস্যা হয়েছিল। এতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’