সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কর্মকর্তাদের প্রতি পরিকল্পনা মন্ত্রীর নির্দেশ

সু.খবর ডেস্ক
সরকারি ক্রয়ে আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান।
তিনি আজ রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সিনিয়র সরকারী কর্মকর্তারা কিভাবে সরকারি ক্রয়ে জনগণের অর্থের মূল্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে’ শীর্ষক এক কর্মশালার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়েজউল্লাহ, এনডিসি, এবং বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
বিশ্বব্যাংকের লীড প্রকিউরমেন্ট স্পেশালিস্ট রিচার্ড ওলোও ও পরামর্শক সুনীল কে ভট্টাচার্য এ সময় বক্তব্য রাখেন। সিপিটিইউ, আইএমইডি পরিচালক (সমন্বয় ও প্রশিক্ষণ) শীষ হায়দার চৌধুরী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ।
মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য ক্রয় সংশ্লিষ্ঠ সকলকে দেশপ্রেমে অনুপ্রাণিত হয়ে সততার সাথে ক্রয় নীতিমালার আলোকে করণীয় দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের এক তৃতীয়াংশ অর্থ ব্যয় হয় সরকারি ক্রয়ে, যার মধ্যে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয় উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য।
বক্তারা বলেন, জনসাধারণের অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং সময়োপযোগী এবং মানসম্পন্ন পরিষেবা সরবরাহ নির্ভর করে সরকারী ক্রয় ব্যবস্থা কতটা কার্যকর তার উপর।
সরকারী ক্রয়ের গুরুত্বকে উপলব্ধি করে বাংলাদেশ সরকার সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় পদ্ধতিগত সংস্কার বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এই সংস্কারগুলির মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (ই-জিপি) যা সরকারী পরিষেবা সরবরাহের উন্নতি করতে সহায়তা করছে এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করছে।
ই-জিপি-র কারণে চারটি অন্যতম সরকারী সংস্থা (পিই)-র বার্ষিক খরচ ১৫০ মিলিয়ন ডলার কমেছে যা বাংলাদেশে ১৫০০ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা বা ৩০০০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা সম্ভব।
সূত্র : বাসস