সরকারি খাল দখল ঠেকালেন ইউএনও

স্টাফ রিপোর্টার
ছাতকের দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের পানি নিস্কাশনের সরকারি খালে মাটি ভরাট করা ঠেকালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)সহ পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে খালে ফেলা মাটি স্ব-উদ্যোগে সরিয়ে নেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ছাতকের দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের চাউলি হাওর ও বড়বিলের পানি নিস্কাশন হয় হাওরের পাশের দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের মুনিরজ্ঞাতি গ্রামের ভেতর দিয়ে যাওয়া মুনিরজ্ঞাতি খাল দিয়ে। এই খালটি রাইয়া নদী থেকে বরাং খাল হয়ে ধরা নদীতে মিশেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই খাল ভরাট হলে বিপদে পড়বেন মুনিরজ্ঞাতি ও নোয়াগাঁওয়ের বাসিন্দারা।
উপজেলার দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের মুনিরজ্ঞাতি নোয়াগাঁওয়ে তিনটি পরিবার গত মঙ্গলবার সকালে ট্রাক দিয়ে মাটি এনে খাল ভরাট শুরু করলে দায়িত্বশীলদের জানান গ্রামবাসী। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার সহকারি কমিশনার (ভূমি)সহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠান।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইসলাম উদ্দিন ঘটনাস্থলে যেয়ে খালে ভরাটকারীদর জানান, সরকারি খাল দখল করা ফৌজদারী অপরাধ। যারা এখানে মাটি ফেলেছেন কম সময়ের মধ্যে নিজ খরচে মাটি সরিয়ে নেবার নির্দেশ দেন তিনি।
এর আগে মাঠি ভরাটকারী মুনিরজ্ঞাতি গ্রামের আলী নূর ও সফিউর রহমানের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরে জামান চৌধুরী।
মুচলেকায় খালে ফেলা মাটি স্বউদ্যোগে সরিয়ে নেবার অঙ্গীকার করেন ভরাটকারীগণ। মুচলেকায় স্থানীয় ইউপি সদস্য দবির উদ্দিনসহ দুইজনকে স্বাক্ষী রাখা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরে জামান চৌধুরী বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পানি নিস্কাশনের খাল ভরাট ঠেকিয়েছেন তারা। এভাবে সরকারি খাল কেউই ভরাট করতে পারবেন না। বিষয়টি দ্রুত সকলের নজরে আনায় গণমাধ্যম কর্মীদেরও ধন্যবাদ জানান তিনি।