সাড়ে তিন হাত ওপরে বিদ্যুতের তার

সুব্রত দাশ খোকন, শাল্লা
শাল্লা উপজেলার ঘুঙ্গিয়ারগাঁও গ্রামের অধ্যাপক মিহির পুরকায়স্থের বাসার নিকটবর্তী বৈদ্যুতিক খুঁটি হতে ঘুঙ্গিয়ারগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দূরত্ব প্রায় ৫/৬ শত হাত। ঐ বৈদ্যুতিক খুুঁটি হতে প্রায় ১৫/২০টি সংযোগ তার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপর দিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং দূরত্ব বেশি হওয়ায় তারগুলি রাস্তা হতে ৩/৪ হাত ওপরে ঝুলে রয়েছে। পাশে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী ও গ্রামের প্রায় ৫০০ মানুষ ঐ রাস্তা দিয়ে বিগত ২/৩ বছর যাবৎ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। যে কোন মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা অথচ বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ও গ্রাহকদের কেউই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার খুঁটি থেকে বাসা বাড়ির দূরত্ব বেশি হওয়ায় এবং মাঝে কোন খুঁটি না থাকায় বিদ্যুতের সংযোগ তার বড়দের কাঁধ বরাবর এবং ছোটদের মাথার ওপর দিয়ে ঝুলে রয়েছে। সংযোগ তারগুলো ছেড়া জায়গাগুলো কসটেপ দিয়ে মোড়ানো। কোনটিতে কসটেপ নেই। ঘুঙ্গিয়ারগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরঞ্জিত চৌধুরী বলেন- মাটি থেকে বৈদ্যুতিক তারগুলো খুব কম উঁচুতে হওয়ায় আমরা সারাক্ষণ ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে থাকি। আমাদের আশঙ্কা হয়, এই বুঝি কোন শিক্ষার্থী দুর্ঘটনার শিকার হলো এ কারণে টিফিন পিরিয়ড ও ছুটির সময়ে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে যাওয়ার বিষয়টি আমরা খুব নজরদারিতে রাখি।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড দিরাই এর আবাসিক প্রকৌশলীকে বারবার ফোন করলে উনি ফোন রিসিভ না করাতে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।



আরো খবর