সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

সম্প্রতি যুক্তরাজ্য কমিউনিটি ভিত্তিক একটি গণমাধ্যম সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নাম জড়িয়ে একটি ভুয়া সংবাদ প্রচার করেছে। ভুয়া সংবাদে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের University for the Creative Arts (UCA) সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। যুক্তরাজ্য কমিউনিটি ভিত্তিক গণমাধ্যম ভুল ব্যাখ্যাসহ, অসত্য, আপত্তিকর এবং বানোয়াট তথ্য দিয়ে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এই বিভ্রান্তিমূলক সংবাদে দৃষ্টিপাত না করে ইউজিসির ওয়েবসাইটে প্রদত্ত গণবিজ্ঞপ্তিতে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে তালিকাভূক্ত করা হয়নি এবং গত ১৮ এপ্রিল ২০২২খ্রিঃ তারিখ দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকায় ১০ নং পাতায় প্রকাশিত সংবাদ শিক্ষার্থী ও জনসাধারকে সচেতন করার জন্য নামসর্বস্ব ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করে।
এই ভুয়া সংবাদটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও উদ্বেগের বিধায় শিক্ষার্থীদের ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মযার্দা রক্ষার্থে ইতোমধ্যে গত ১৮ এপ্রিল ২০২২খ্রিঃ তারিখ মাননীয় রেজিস্ট্রার মহোদয় যুক্তরাজ্যের University for the Creative Arts (UCA) এর মাননীয় উপাচার্য বরাবর পত্র প্রেরণ করে এই ভুয়া সংবাদটি সম্পর্কে অবহিত করেন। এর সাথে সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত বৃটিশ হাই কমিশনকে এ বিষয় সম্পর্কে অবহিত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যাতে কোন তথ্য উপাত্ত ছাড়া উদ্দে্যশ্যমূলক ভাবে বৃটেনে অবস্থিত কোন মানসিক বিকারগ্রস্ত এজেন্সি এ ধরণের বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক প্রচারণা থেকে বিরত থাকে।
সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস—চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শহীদ উল্লাহ তালুকদার ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারপার্সন রাজীব আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকতার্ ও কর্মচারীবৃন্দের উদ্দেশ্য বলেন, জনসাধারনের নিকট বিভ্রান্তিমূলক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য—উপাত্ত উপস্থাপন না করে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপন করা একান্তভাবেই কাম্য।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি