সুনামগঞ্জ’র সুনাম যেভাবে ছড়ায়

মরতুজা আহমদ
সচিব, তথ্য মন্ত্রণালয়
সুনামগঞ্জ মানেই সুনামের বসতি। বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং প্রতিবাদমুখর ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে সুনামগঞ্জের সুনাম। অথচ সেই কবে, মোগল আমলে বনগাঁও নামের এক নিভৃত গ্রামে, ঠিক এই জায়গায় গড়ে উঠেছিল ছোট্ট একটি গঞ্জ বা বাজার। বনগাঁও নামটি হারিয়ে যায়। সুনাম উদ্দিন বা সুনামদি নামে জনৈক সিপাহীর প্রতিষ্ঠিত সেই গঞ্জ-এর নাম মানুষের মুখে হয়ে যায় ‘সুনাম উদ্দিনের গঞ্জ’। বীর সিপাহী সুনাম উদ্দিন বা সুনামদি কোন এক যুদ্ধে বীরোচিত কৃতিত্ব প্রদর্শণ করেছিলেন বলে মোগল সম্রাট বনগাঁও’তে কিছু ভূমি পুরস্কার হিসেবে দান করেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত সেই ভূমিতেই গঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই সিপাহী। কালে কালে নামটি ছোট হয়ে হয় সুনামগঞ্জ। তবে যত দিন গেছে কৃতিত্বে সুনামগঞ্জ ততই প্রসারিত হয়েছে। সুনামগঞ্জের সুনাম পড়েছে ছড়িয়ে, যে কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত আছে তথ্য মন্ত্রণালয়, বিশেষভাবে।
লাখো বাঙালির রক্তের বিনিময়ে অর্জিত লাল সবুজের বাংলাদেশ এবং এ দেশের মাটি ও মানুষের সমৃদ্ধির প্রতিটি ধাপে সৃজনশীল সহযোগী হিসেবে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে তথ্য মন্ত্রণালয়ের যতœশীল পদচারণা বিরাজমান। বাদ যায়নি সুনামগঞ্জও। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ে তোলার দৃপ্ত শপথকে বাস্তবায়িত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুচিন্তিত দিক নির্দেশনায় বাঙালির নিজস্ব ইতিহাস-ঐতিহ্য-ভাষা-সংস্কৃতির বিকাশ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিস্তারে তথ্য মন্ত্রণালয় গুরুত্ব দিয়েছে সুনামগঞ্জকেও। এখানকার বিখ্যাত টাঙ্গুয়ার হাওর দেশের মৎস্য সম্পদের অবারিত উৎস। মরমী শিল্পী, কবি ও সাহিত্যিক সৈয়দ শাহ্ নূর, রাধারমন দত্ত, হাসন রাজা, রামকানাই দাশ’র সুযোগ্য উত্তরসূরী বাউল গানের কিংবদন্তী শিল্পী শাহ্ আবদুল করিম সুনামগঞ্জের গর্ব। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের মহান বিপ্লবী সুহাসিনী দাস সুনামগঞ্জের সাহসী মানুষের প্রতীক। এর ধারাবাহিকতায় আমরা এই সুনামগঞ্জের সন্তানদের মাঝ থেকে পেয়েছি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও সিলেটে নারী জাগরণের অগ্রদূত সৈয়দা শাহার বানু এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বাংলাদেশ সরকারের প্রথম পররাষ্ট্র মন্ত্রী প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ আব্দুস সামাদ আজাদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি’কে। সুনামগঞ্জের এই কৃতী সন্তানদের অবদানকে আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি, করবো চিরকাল।
সরকারের সৃজনশীল নীতি প্রতিষ্ঠার প্রতিষ্ঠান হিসেবে তথ্য মন্ত্রণালয় সরকারের অনুসৃত নীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের সাথে সচেতন জনগণের সম্পৃক্ততা তৈরি করছে। এর পাশাপাশি দেশ-বিদেশে দেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি তুলে ধরাসহ ‘দিন বদলের সনদ: রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়ন এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজকে সম্ভব করে তুলছে। বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ নেটওয়ার্কিং-এর অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশকে শামিল রেখে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি উদ্যোগের এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ঠ (ঝউএ) অর্জনে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অগ্রণী ভূমিকা অপরিহার্য হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। বেতার-টেলিভিশন-কম্যুনিটি রেডিও-সংবাদপত্র-চলচ্চিত্র ইত্যাদি গণমাধ্যম সুনামগঞ্জকেও সম্পৃক্ত করতে পেরেছে সামগ্রিক উন্নয়নের মূলধারায়। তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিশেষ বিবেচনায় জেলা প্রশাসনকে প্রদত্ত ‘রেডিও সুনামগঞ্জ’ এর মাধ্যমে উন্নয়নের বার্তা সুনামগঞ্জবাসীকে দ্রুত ও সহজেই পৌঁছে দেয়ার ফলেই মূলত: অতি সম্প্রতি সুনামগঞ্জের প্রাক্তন জেলা প্রশাসক চঁনষরপ ঝবৎারপব অধিৎফ এ ভূষিত হয়েছেন।
তথ্য মন্ত্রণালয় তথ্য অধিদফতর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ফিল্ম-আর্কাইভ, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ড, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, তথ্য কমিশন এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট, এই চৌদ্দটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনকল্যাণে সার্বিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়টি। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয় সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি সরকারের নীতি, আদর্শ, লক্ষ্য ও উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির প্রচার ও প্রকাশনার কাজটি সাফল্যের সাথে সম্পাদন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর নির্মাণ করেছে শাহ্ আবদুল করিম-কে নিয়ে চলচ্চিত্র, যা বাংলাদেশ টেলিভিশন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসমূহের মাধ্যমে বর্তমান তরুন প্রজন্ম তথা সর্বস্তরের জনগণের কাছে কিংবদন্তি শিল্পীর জীবন ও কর্মকে পরিচিত করে রাখছে। এই অধিদপ্তর সিলেট বিভাগের পর্যটন আকর্ষণের উপর একটি দুর্লভ বই প্রকাশ করেছে, যার ভেতর ইংরেজি ভাষায় সিলেটের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের সাথে সুনামগঞ্জের নানান স্থানের পরিচিতি ও দৃষ্টিনন্দন আলোকচিত্র মূদ্রিত হয়েছে। বিদেশি পর্যটকদের আগ্রহ মেটাতে এই বইটি যথাযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী। এ ছাড়াও বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন সুনামগঞ্জের লোকসংস্কৃতির হালযাত্রা, গোরমার নাচ, ধামাইল ও সূর্যব্রত গানসহ নানাবিধ উপকরণকে তুলে আনছে যতেœর সাথে। পরিকল্পনা নিয়েছে সুনামগঞ্জের স্থানীয় সংস্কৃতির লালন, চর্চা ও সংরক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধি আনয়ন, ভৌগলিক বৈচিত্র ও প্রকৃতির লীলাভূমি সুনামগঞ্জের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সুনামগঞ্জে পৃথক এফএম বেতার স্থাপন ও সুনামগঞ্জ জেলা তথ্য কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার।
বিশ্বব্যাপী নতুন সহস্রাব্দে পৃথিবীর সব দেশের, বিশেষত উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে নতুন মাত্রায় উন্নীত করতে জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (গউএ) অর্জনে বাংলাদেশকে বলা হয় এমডিজির ‘রোল মডেল’। এই অর্জনে জনসম্পৃক্ততা ছিল অন্যতম প্রধান কারণ, যার পেছনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের গৃহীত নানান কর্মসূচি ও প্রকল্প উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় নির্ধারিত মাথাগুনতি দারিদ্র্য ও দারিদ্রের গভীরতা হ্রাস, অপুষ্টিজনিত স্বল্প ওজনের শিশুর সংখ্যা কমানো, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় নারী-পুরুষের সমতা আনা, পাঁচ বছরের কম বয়েসি শিশুমৃত্যুর হার কমানো এবং তাদের জন্য পতঙ্গ-নিরোধক মশারির ব্যবস্থা, ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ, এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় ও নিরাময় ইত্যাদি ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের ইস্যুভিত্তিক চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত হওয়ায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক বেশি। এইসব কার্যক্রমে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সুনামগঞ্জ তথ্য অফিস, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানমালা যথাযোগ্য ভূমিকা রাখার মাধ্যমে এমডিজি অর্জনে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছে।
তৃণমূল মানুষের কাছে তথ্য অধিকার ধারণাটি বলতে গেলে এখনো অস্পষ্ট। এখনো অনেকেই জানেন না, কোথায় গেলে কোন্ সেবাটি পাওয়া যাবে। তারা এখনো বুঝতে পারেন না, হাজারো তথ্যের ভিড়ে ঠিক কোন্ তথ্যটিই তার প্রয়োজন হবে। ২০১৬ সাল থেকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। জনগণকে তথ্য অধিকার সচেতন করে তোলা ব্যতিরেকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়। উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার সমান্তরাল বিকাশ, আইনের শাসন, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সর্বোপরি জনগণ ও রাষ্ট্রের মধ্যে সেতুবন্ধন স্থাপনে গণমাধ্যমের সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনসেচেতনতা সৃষ্টি করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ ও এসডিজি’র ১৭টি গোল ও ১৬৯টি টার্গেট অর্জনে তথ্য মন্ত্রণালয় আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশ বেতার, কম্যুনিটি রেডিও, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের তথ্য অফিসের মাধ্যমে টাঙ্গুয়ার হাওড়সহ জীববৈচিত্রে ভরপুর সুনামগঞ্জের প্রতিটি এলাকা যাতে দুর্যোগ প্রতিরোধে সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় যুক্ত হতে পারে, তথ্য মন্ত্রণালয় সেদিকে সযতœ দৃষ্টি রাখছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসচেতন বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে সরকারের বিবিধ সুযোগসমূহ পৌঁছে দিতে প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, বাল্য বিবাহ, যৌতুক, জন্মনিয়ন্ত্রন ও জন্মনিবন্ধন, নিরাপদ মাতৃত্ব, শিশুর টিকা, এইচ আইভি এইডস, নারী পুরুষের বৈষম্য, মাদকের অপব্যবহার, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৃক্ষরোপন, মৎস্য চাষ, হাস-মোরগ ও গবাদি পশু পালন এবং সরকারের নানামুখী উন্নয়ন বিষয়ে সুনামগঞ্জের জনগণ আগের চেয়ে বহুগুণে সচেতন হয়ে উঠেছেন। ভ্রাম্যমান চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, সেমিনার, মহিলা সমাবেশ, কমিউনিটি সভা, রেলী, শিশু কিশোর ও নারী মেলা, খন্ড সমাবেশ, উদ্বুদ্ধকরন লোক সংগীত, আলোচনা সভা ও উঠান বৈঠক, কথামালা প্রচার (মাইকিং), পোষ্ঠার পুস্তিকা ও লিফলেট বিতরন ও স্থাপন, পিএই কভারেজ স্থাপন, জনমত প্রতিবেদন সংগ্রহ ও প্রস্ত্তত করার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করার কৌশল প্রয়োগ করা হয়। পাশাপাশি দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরসহ এ জনপদ থেকে প্রকাশিত দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলো সুনামগঞ্জের আনাচে-কানাচে, হাওড়ে-বিলে, গ্রামেগঞ্জে এমনকি বিদেশের মাটিতেও জনসচেতনতার কাজটি নিবিড়ভাবে করে যাচ্ছে।
এর সাথে আমি যুক্ত করছি আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে, যেখানে সুনামগঞ্জ জেলার লোকজ সংস্কৃতি ও দর্শনীয় স্থানসমূহ পর্যটকদের সামনে আরো সুন্দরভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে পরিচিত করে তুলতে তথ্য মন্ত্রণালয় অডিও-ভিজুয়াল ও প্রিন্ট মিডিয়াকে আরও সক্রিয় করে তুলবে। এই এলাকার জীববৈচিত্র সংরক্ষণ করতে ও হাওরভিত্তিক পেশাজীবিদের জীবনমান উন্নয়নে জনগণকে বিজ্ঞানমুখী টেকসই উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত করতে যুগোপযোগী তথ্য প্রচার ও প্রকাশ করা হবে। এসব কর্মকান্ডে অবশ্যই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা যত বেশি রাখা যায়, সে ব্যাপারে বিশেষভাবে কার্যক্রম গ্রহণ করবে তথ্য মন্ত্রণালয়। এসব কর্মকান্ডের মধ্য দিয়েই সুনামগঞ্জের উন্নয়ন সুসংহত হতে পারে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি।



আরো খবর