সুনামগঞ্জে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা কম বললেন বিভাগীয় কমিশনার

স্টাফ রিপোর্টার
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন,‘এবার সুনামগঞ্জ জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা খুবই কম। অন্যান্য জেলায় এই লক্ষ্যমাত্রা অনেকটা বেশি। দেশের অন্যান্য জেলার সাথে সমন্বয় রেখে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলে ভাল হয়।’
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় সরকারী খাদ্য গোদাম প্রাঙ্গণে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ ২০১৯ এর আওতায় ধান/চাল সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আগামীতে দেশের অন্যান্য জেলার ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার সাথে সমন্বয় রেখে যাতে সুনামগঞ্জ জেলায় ধান – চাল কেনা হয় এই বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো আমি।’ কৃষককদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা’র সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সফিউল আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এমরান হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রদীপ সিংহ, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জাকারিয়া মোস্তফা, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম, ব্যবসায়ী জিয়াউল হক, গৌরারং ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফুল মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল মোমেন, মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান প্রমুখ।
প্রসঙ্গত. সুনামগঞ্জে এবার বোরো ধানের চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই লাখ ১৭ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে, আবাদ হয়েছে দুই লাখ ২৪ হাজার ৪০ হেক্টর। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ৭৫ হাজার মে.টন।
জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া মোস্তফা বৃহস্পতিবার বিকালে জানান, সারাদেশের বিভিন্ন ক্রয় কেন্দ্র থেকে এবার দেড় লাখ মে.টন ধান কিনবে সরকার। প্রতি কেজি ধান কেনা হবে ২৬ টাকা অর্থাৎ প্রতি মণ ধান ১০৪০ টাকা কেনা হবে। চাল আতব ৩৫ টাকা এবং সিদ্ধ কেনা হবে ৩৬ টাকা কেজিতে। সুনামগঞ্জ জেলায় ধান কেনা হবে ৬৫০৮ মে.টন এবং চাল আতব কেনা হবে ১৭ হাজার ৭৯৮ মে.টন এবং সিদ্ধ কেনা হবে ১৪ হাজার ১৭৯ মে.টন।