সুনামগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজের মেয়াদ বাড়লো

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ জেলার একমাত্র বোরো ফসল রক্ষা হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়। আর এই বাঁধ নির্মাণ কাজ ১৫ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারী শেষ করার কথা। কিন্তু বিভিন্ন উপজেলায় বাঁধের কাজ শেষ না হওয়ায় বাঁধের কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে ৭ মার্চ করা হয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রানলয়ের উপ-মন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ২০১৭ সালের সংশোধিত কাবিটা নীতিমালার আওতায় স্কীম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কমিটির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এই ঘোষণা দেন।
উপমন্ত্রী এসময় উপস্থিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ এবং পরামর্শ শুনে বাঁধের কাজের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাওরের মানুষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চান তারা যেন হাসি মুখে ফসল ঘরে তুলতে পারেন সেটা দেখতে চান তিনি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রানালয়ের সবাই সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে বাঁধের কাজ করছে। আমরা সার্বক্ষণিক হাওরের বাঁধের কাজ এবং ফসল গোলায় তোলা পর্যন্ত বাঁধের কাজ মনিটরিং করবো। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি বা পিআইসি গঠন নিয়ে কিছু ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে ভবিষ্যতে এসব বিষয় আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। যেহেতু এবছর পিআইসি গঠন শেষে কাজ শুরু হয়েছে, সবাই মিলে কাজ শেষ করে ফসল তুলতে সাহ্যয্য করতে হবে।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে এই সভায় সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান, সুনামগঞ্জ- ৫ আসনের সাংসদ মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ ও সিলেটের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট শামীমা শাহরিয়ার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক একেএম অহিদ উদ্দিন চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শরিফুল ইসলাম ও সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাবিবুর রহমান প্রমুখ।
পানি সম্পদ মন্ত্রানালয়ের ডিজি একেএম অহিদ উদ্দিন চৌধুরী তার বক্তব্যে জানান, এই বছর করোনা মহামারী থাকায় সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ ২৮ ফেব্রুয়ারীর নির্ধারিত তারিখের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা আর সম্ভব হয়নি। তাই কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। পরে মন্ত্রী হাওররক্ষা বাঁধ সরেজমিনে পরিদর্শনে যান।