সুনামগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ অর্ন্তভূক্তির দাবি জেলা খেলাঘরের

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে স্থাপিতব্য সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ে সংগীত বিভাগ অর্ন্তভূক্তির দাবি জানিয়েছে জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন খেলাঘরের সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি। জেলা খেলাঘর নেতৃবৃন্দ বলেন, সুনামগঞ্জের শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার খবর অত্যন্ত আনন্দের। বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করলে সুনামগঞ্জ নবযুগে পদার্পণ করবে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে জেলার কৃষি ও মৎস্য সম্পদ নিয়ে গবেষণা হবে, আলাদা বিভাগ খোলা হবে। একই সাথে সুনামগঞ্জে আবহমান কাল থেকে চর্চা করা যে লোক সংগীত, গণসংগীত, সেগুলো নিয়েও গবেষণা ও স্থানীয় সংগীত কে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ অর্ন্তভূক্ত করা প্রয়োজন। এ অঞ্চলের মানুষ ছয় মাস কাজ করে। বাকী ছয় মাস কোন কাজ না থাকায় অলস সময় নিজেই গান রচনা করে নিজেই গায়। সুনামগঞ্জের সংগীত এতোই সমৃদ্ধ যে, হাছন রাজা, রাধারমণ, দুর্ব্বিণ শাহ ও শাহ আব্দুল করিমের গান নিয়ে আলাদা চারটি বিভাগ চালু করা যায়। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে জেলার অন্যান্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীবৃন্দকে। আর এ নিয়ে গবেষণা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া আর কোন প্রতিষ্ঠান হতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয়টির নামের সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যুক্ত থাকলে সংগীত বিভাগ রাখা যাবে না এরকম হতে তা পারে না। কারণ সংগীতের সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সুনামগঞ্জ হচ্ছে দেশের সম্ভাব্য সাংস্কৃতিক রাজধানী। এ জেলায় স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ থাকবে না তা হয় না। আমাদের এখানে সংগীতের দক্ষ প্রশিক্ষক রয়েছেন। সম্প্রতি ভারতের রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে এসেছেন সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ ও ওস্তাদ দেবদাস চৌধুরী রঞ্জন। জেলায় আরো গুণী ওস্তাদ রয়েছেন। এ বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন নতুন বাদ্যযন্ত্র উদ্ভাবন করতে পারে। পৃথিবীর নামকরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ চালু রয়েছে। খেলা ঘর চায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে সুনামগঞ্জের সংগীত আরো সমৃদ্ধ হবে। এজন্য সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ অর্ন্তভূক্তির জোর দাবি জানিয়েছে জেলা খেলাঘর।