সেতু নয় যেন মরণ ফাঁদ

স্টাফ রিপোর্টার
সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের পাশে চলাচল সড়কের মধ্যে খালের উপর নির্মিত সেতু যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতুর অ্যাপ্রোচে মাটি না থাকায় প্রায় প্রতিদিন দু’একটি দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। এলাকাবাসীর উদ্যোগে চলাচল সুবিধার জন্য অ্যাপ্রোচের পাশে ভাঙন এলাকায় সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। তবুও ভোগান্তি কমেনি, বর্ষায় বৃষ্টিতে বাড়ছে যাতায়াতকারীদের মারাত্মক ভোগান্তি।
দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু, কালভার্ট নির্মাণ কর্মসূচির আওতায় রহমতপুর গ্রামের একটি খালের উপর প্রায় ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যরে এই সেতু নির্মাণ হয় ২০১৬ সালে। কিন্তু নির্মাণের পর থেকে এই সেতুর অ্যাপ্রোচে মাটি ভরাট করা হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
এলাকাবাসী জানান, হালুয়ারঘাট বাজারের মানুষ, হালুয়ারগাঁও, রহমতপুর, বালিকান্দি, বিরামপুর, বনগাঁও, ভৈষারপাড়সহ ৭ গ্রামের মানুষ চলাচল করেন এই সেতুর উপর দিয়ে। এছাড়াও বালিকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ হালুয়ারঘাট বাজার এলাকায় কয়েকটি কিন্ডারগার্টেনের এবং মক্তবের শিক্ষার্থীরা এই সেতুর উপর দিয়ে নিয়মিত চলাচল করেন ।
রহমতপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম ও আলী আকবর বলেন,‘সেতু নির্মাণ হয়েছে মানুষ চলাচলের জন্য। কিন্তু এই সেতু দিয়ে নির্মাণের পর থেকে চলাচল করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ সেতুর অ্যাপ্রোচে মাটি নেই। এতে এলাকার কয়েকটি গ্রামের মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রতিদিন।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মানিক মিয়া বলেন, ‘রহমতপুর গ্রামের খালের উপর যে সেতু নির্মাণ হয়েছিল, এই সেতুর অ্যাপ্রোচে মাটি দিয়েছিল ঠিকাদার। কিন্তু বর্ষার বৃষ্টিতে তা সরে গেছে। ওই সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বলেছেন মাটি যদি সরে যায় তাহলে অ্যাপ্রোচে পুনরায় মাটি দেয়ার ব্যবস্থা করবেন তিনি।’
সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুস ছত্তার বলেন,‘আমি রহমতপুর গ্রামের খালের উপর নির্মিত সেতুর অ্যাপ্রোচের এক পাশে মাটি ভরাটের কাজ করেছি। মাটি বৃষ্টিতে চলে গেছে। এবার শুকনা মৌসুমে সেতুর উভয় পাশের অ্যাপ্রোচের কাজ করব।’