স্পিকারের সাথে পরিকল্পনামন্ত্রীর সাক্ষাৎ

সু.খবর ডেস্ক
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, কৃষি শুমারি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির যথাযথ পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করবে। তার সাথে বুধবার সংসদ ভবনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম. এ মান্নান সাক্ষাৎ করলে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাতকালে তারা ‘কৃষি শুমারি-২০১৯’ এর ওপর বিস্তারিত আলোচনা করেন।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কৃষি শুমারি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বলে উল্লেখ করেন। তিনি শুমারি চলাকালে প্রকৃত ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে গণনাকারীদের পরামর্শ দেন।
কৃষি শুমারির অংশ হিসেবে গণনাকারীরা স্পিকারের কাছ থেকে খাদ্যশস্য, মৎস্য ও পশুসম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবাদি জমির পরিমাণ, হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, কৃষি যন্ত্রপাতি, খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন।
স্পিকার ৩৪৫ কোটি টাকার এ প্রকল্প গ্রহণ করায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে অভিনন্দন জানান এবং এর সফলতা কামনা করেন। কৃষিতে নারীরা এগিয়ে আসছে যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে তিনি উলে¬খ করেন।
তিনি বলেন, এবারের কৃষি শুমারিতে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদকে অন্তর্ভূক্ত করায় এর পরিধিকে আরও বিস্তুৃত করেছে। এ শুমারির মাধ্যমে ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল অবধি বাংলাদেশের কৃষির অবস্থা সম্পর্কে সম্মক ধারনা পাওয়া সম্ভব, যা পরবর্তীতে রেফারেন্স পয়েন্ট, গবেষণা এবং পলিসি গ্রহণে সহায়তা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ মান্নান কৃষি শুমারি-২০১৯ এর সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে স্পিকারকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, ‘কৃষি শুমারি- ২০১৯’ ৯ জুন, শুরু হয়ে আগামী ২০ জুন পর্যন্ত চলবে। এ সময় গণনাকারীরা মাঠপর্যায়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন। দেশব্যাপী প্রায় দেড় লাখ তরুণ-তরুণী গণনাকারী এ কাজে অংশ নিচ্ছেন।
পরিসংখ্যান আইন ২০১৩, জাতীয় পরিসংখ্যান উন্নয়ন কৌশলপত্র এবং কৃষি ও গ্রামীণ পরিসংখ্যান কৌশলপত্র অনুযায়ী ‘কৃষি শুমারি-২০১৯’ কার্যক্রম চলছে।
এ সময় পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরে›ন্দ্রনাথ চক্রবর্ত্তী, বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিস্টিক্সের (বিবিএস) মহাপরিচালক ড. কৃষ্ণা গায়েন, প্রকল্প পরিচালক জাফর আহমেদ এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।