স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহীরাই বেশি জয়ী

স্টাফ রিপোর্টার
জেলার সুনাগমঞ্জ সদর উপজেলায় ও শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ১৭ টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দুই উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নের ১৬২ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হয়। এরমধ্যে ১৫৩ কেন্দ্রে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ও শুধুমাত্র সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের ৯টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়।
দুই উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন ১ হাজার ৫৯ জন প্রার্থী। চেয়ারম্যান পদে ১০৬ জন, সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ৭৪২ জন এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য পদে ২১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৯ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৫৭৮ জন প্রার্থী। এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৬৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১১৬ জন এবং সাধারণ ওয়ার্ডে ৩৯৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এদিকে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪৮১ জন প্রার্থী। এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪৩ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৯৫ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৩৪৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব আব্দুল ওয়াদুদ (আনারস)। তার প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ৯৩৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আব্দুল মান্নান (লাঙ্গল)। তার প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ২১৪। এদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান (নৌকা) পেয়েছেন ২ হাজার ৪৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোশাহিদ আলম মহিম (ঘোড়া) ২ হাজার ২২ ভোট এবং বাংলাদেশ সাম্যবাদী (এম.এল) দলের প্রার্থী মো. ফারুক রশিদ (চাকা) পেয়েছেন ১০৪ ভোট। লক্ষণশ্রী ইউনিয়নে মোট ভোটার ছিলেন ১১ হাজার ৬৪৫ জন। ৯টি কেন্দ্রে বৈধ ভোট ৯ হাজার ৩২৫ এবং বাতিল হয়েছে ১১টি।
মোহনপুর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মঈন উল হক (মোটর সাইকেল)।
মোল্লাপাড়া ইউনিয়নে মোটরসাইকেল প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. নুরুল হক।
রঙ্গারচর ইউনিয়নে মোটর সাইকেল প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি নেতা বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হাই।
কাঠইর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন জমিয়তের (খেজুর গাছ) প্রার্থী শামসুল ইসলাম।
কোরবাননগর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন মোটর সাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল বরকত।
গৌরারং ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) মনোনীত প্রার্থী মো. শওকত আলী।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী রশিদ আহম্মেদ।
সুরমা ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আমির হোসেন রেজা (চশমা)।
এদিকে পাথারিয়া ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শহীদুল ইসলাম (ঘোড়া)।
পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জগলুল হায়দার (নৌকা)।
পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ (নৌকা) সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম।
শিমুলবাঁক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহীনুর রহমান (আনারস),
জয়কলস ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল বাছিত সুজন (ঘোড়া),
পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুক মিয়া (আনারস),
দরগাপাশায় ইউনিয়নে বিএনপির সুফি মিয়া (চশমা)
পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নে বিএনপির লুৎফুর রহমান জায়গীরদার খোকন (চশমা) নির্বাচিত হয়েছেন।