স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন অনেকে

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। সভায় জেলার স্বাস্থ্যসেবা’র মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
সভায় সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাশ জানান, বতর্মানে সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২১ জন। যার মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ জন এবং চিকিৎসা গ্রহণ করে হাসপাতালে ত্যাগ করেছেন ১৯ জন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে কোন মৃত্যু সংবাদ নেই।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগের টেস্টে কোন ফি নেওয়া হয় না। তবে হাসপাতালের বাহিরে ডেঙ্গু রোগের টেস্ট ফি ৫শ’ টাকা। ডেঙ্গু রোগের ওষুধ পর্যাপ্ত আছে এবং ডেঙ্গু কর্নার স্থাপন করা হয়েছে।
সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, গত ৩ আগস্ট জেলার সকল স্তরের জনগণের অংশগ্রহণে শহরের ১৪ টি পয়েন্টে দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান হয়েছে । ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী, স্কাউটস, রোভার স্কাউটস, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ সকল স্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে। সকল মসজিদের ইমামগণের মাধ্যমে জুম্মার নামাজের পূর্বে খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। যানবাহন যাত্রা’র পূর্বে মশানিরোধক স্প্রে করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। জনসাধারণের সচেতনতার জন্য বার্তা প্রচার করা হচ্ছে।
এসময় সিভিল সার্জনকে উদ্দেশ্যে করে বক্তারা বলেন, প্রতিনিয়ত হাসপাতালে সেবা নিতে এসে মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। হাসপাতালের লিফট প্রায়ই নষ্ট হয়। গার্ড নেই। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দায় কে নেবে। আমাদের একটাই কথা আমরা মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা চাই।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাশ, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, মালেক হুসেন পীর প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগ’এর উপপরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা আওয়ামীলীগ’এর নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিগণ।