হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র পেলেন আরও ৪৪ জন

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ২৮ জন। কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৪ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৪২১ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে ১ জনকে। এছাড়াও বিদেশ প্রত্যাগত আরও ৩ জন প্রবাসী সুনামগঞ্জে এসেছেন। কোভিড ১৯ পরিস্থিতি নিয়ে রবিবার জেলা প্রশাসনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানা যায়, অদ্যাবদি মোট কোয়ারেন্টিনে এসেছেন ৫১৫২ জন। পাশাপাশি কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন করেছেন ৪৭৪৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ৬১ জন। বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১০ জন এবং আইসোলেসনে আছেন ৮৩ জন।
গত ১ মার্চ থেকে বিদেশ থেকে জেলায় এসেছেন ২৫২৬ জন। এদিকে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস শনাক্তে সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৯৩৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ২ হাজার ৫২০টি নমুনা। সবচেয়ে বেশী ৫১২ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে। এরমধ্যে রিপোর্ট পাওয়া গেছে ৪৬৮ জনের।

এছাড়াও দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ১৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১১৪ জনের, দিরাই উপজেলায় ২০৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৮২ জনের, শাল্লা উপজেলায় ১৮০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৪০ জনের, বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় ২৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ২১৪ জনের, তাহিরপুর উপজেলায় ১৮২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৬৭ জনের, জামালগঞ্জ উপজেলায় ২৩৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ২১৬ জনের, ধর্মপাশা উপজেলায় ২৩১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ২০০ জনের, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৩৪৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ২৭০ জনের, ছাতক উপজেলায় ৪৫৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ৩৮২ জনের, জগন্নাথপুর উপজেলায় ২০৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৬৭ জনের নমুনার রিপোর্ট পাওয়া গেছে।

এই পর্যন্ত জেলায় ১৪৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৩১ জন, দিরাই উপজেলায় ৭ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ১২ জন, ছাতক উপজেলায় ২৪ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৮ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ১০ জন, শাল্লা উপজেলায় ৯ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ৪ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৯ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ১৬ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ১৪ জন।

বর্তমানে জেলায় আইসোলেসনে আছেন ৮৩ জন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর ও হাসপাতালে ২৮ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ৪ জন, দিরাই উপজেলায় ২ জন, বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় ৩ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ৮ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ১ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ১১ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৫ জন, ছাতক উপজেলায় ১৯ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ২ জন।

এদিকে আজ পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬১ জন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর ও হাসপাতাল থেকে ৩ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলা থেকে ৫ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা থেকে ৮ জন, শাল্লা উপজেলা থেকে ৮ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৬ জন, দিরাই উপজেলা থেকে ৫ জন, ছাতক উপজেলার ৫ জন, জামালগঞ্জ উপজেলা থেকে ৩ জন, বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা থেকে ৬ জন, তাহিরপুর উপজেলা থেকে ৬ জন, ধর্মপাশা উপজেলা থেকে ৫ জন।

উল্লেখ্য, করোনা চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১০০টি বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও ২০ জন ডাক্তার ও ১৪৩ জন নার্সও রয়েছেন। ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর, ধর্মপাশা, দিরাই, শাল্লা উপজেলায় ৩টি করে বেড এবং সুনামগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও আনিছা হেলথ কেয়ারে ২টি করে বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। চিকিৎসার জন্য ১৩১ টি বেড রয়েছে। এছাড়াও ৮৬ জন ডাক্তার, ২৪৭ জন নার্স প্রস্তুত রয়েছেন। আক্রান্তদের জরুরী চিকিৎসায় স্থানান্তরের প্রয়োজনে ১ টি এম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে। জরুরী বিভাগে আইসোলেশনের ব্যবস্থাও রয়েছে।