১ সড়কে ৭ ভাঙন

আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের পুরান পৈন্দা গ্রামের মেইন সড়কে ৭ স্থানে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। সড়কে ভাঙন থাকায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। সড়কের এই ভাঙন দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এলাকাবাসী জানান, গত বন্যায় এই সড়কের ২ ফুট উপর দিয়ে সুরমা নদীর পানি প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়েছে। এই সময় সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙন সংস্কার না হওয়ায় গত ৪ মাস ধরে এই সড়কে প্রতিদিন চলাচলকারী পৈন্দা বাজারের ব্যবসায়ী, ইউনিয়ন তহশিল অফিসে আসা কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেবা গ্রহিতাগণ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ নানা ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন। ভাঙনের ফলে প্রতিদিন প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক পায়ে হেঁটে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে তাঁদের। পুরান পৈন্দা থেকে মোহনপুর পর্যন্ত এই মেইন সড়কটি যদি আরো কিছু উঁচু করা
হতো এবং অন্তত ৩টি কালভার্ট সেতু নির্মাণ করা হতো, তবে এই সড়কটি বন্যায় ভেঙে যেতো না বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
জয়নগরবাজার হাজী গনিবক্স উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তহুরা বেগম, তুলিকা দাস, ফারজানা হক শেফা বলেন,‘এই সড়কে যখন ভাঙন ছিল না, তখন আমরা পুরান পৈন্দা গ্রাম থেকে গাড়ি করে প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে চলাচল করতাম। বন্যায় সড়কে ভাঙন দেখা দেওয়ায় এখন প্রতিদিন স্কুলে পায়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে আমাদের।’
পৈন্দা বাজার জামে মসজিদের ইমাম মাও. হুসনে মোবারক বলেন,‘সড়কের একাধিক স্থানে বড় বড় ভাঙন থাকায় মানুষজন চলাচলে ঝুঁকি বেড়েছে। এসব ভাঙনের দ্রুত মেরামত প্রয়োজন।’
মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক বলেন,‘সড়কটি যদি কিছু উঁচু হতো এবং সড়কের বিভিন্ন স্থানে ৩টি কার্লভাট সেতু নির্মাণ করা হতো, তবে বন্যায় এমনভাবে সড়কটি ভেঙে যেতোনা। এই বিষয় নিয়ে এলজিইডি’র নির্বার্হী প্রকৌশলীর সাথে আলোচনাও করেছি। সড়কের এই ভাঙনে মানুষের ভোগান্তি মারাত্মকভাবে বেড়েছে। মানুষের ভোগান্তি নিরসনে কিছুদিনের মধ্যে এই সড়কের ভাঙন সংস্কারের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।’