২৫টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রীর বরাদ্দ

ইয়াকুব শাহরিয়ার, শান্তিগঞ্জ
পঁচাত্তর লক্ষ টাকা। ৭টি ইউনিয়নের ২৫টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দের পরিমাণ এটি। মসজিদ, মন্দির, শ্মশানঘাট, কবরস্থান, ঈদগাহ এমন ২৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনোটির নির্মাণ ও কোনোটির উন্নয়ন সাধনের জন্য প্রতিটিতে ৩ লক্ষ করে মোট ৭৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি। মঙ্গলবার বিকালে পরিকল্পনা মন্ত্রীর একান্ত রাজনৈতিক সচিব হাসনাত হোসেন তার ফেসবুক ওয়ালে বরাদ্দকৃত প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকা প্রকাশ করেন।
জানা যায়, উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের গোবিন্দপুর জামে মসজিদ, রাগুনাথপুর জামে মসজিদ, ঢালাগাঁও জামে মসজিদ, পাথারিয়া ইউনিয়নের গণিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মসজিদ, দক্ষিণ গাজীনগর জামে মসজিদ ও পাথারিয়া পঞ্জরিতি কবরস্থান, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের পাগলা জগন্নাথ জিউর আখাড়ায় দুর্গা মন্দির, শত্রুমর্দন সনাতন সংঘের দুর্গা মন্দির, নিদনপুর কৃষ্ণতলা কালী মন্দির, বাঘেরকোণা মোকামবাড়ি জামে মসজিদ ও কাদিরপুর মোকাম জামে মসজিদ, পূর্ব পাগলার দামোধরতপী কৃষ্ণতলা মন্দির, খুদিরাই উত্তরপাড়া পুরাতন জামে মসজিদ, পিঠাপশী উত্তরপাড়া জামে মসজিদ, রনসী পূর্বপাড়া হাজী বাড়ী জামে মসজিদ ও দামোধরতপী মামদপুর জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ, পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের বীরগাঁও বাজার জামে মসজিদ, বাবনগাঁও শ্মশানঘাট চুলা নির্মাণ, পশ্চিম বীরগাঁও টাইলা বাজার মসজিদ ও জয়সিদ্ধি বসিয়াখাউরী মাদ্রাসার ঈদগাঁহ মাঠ, জয়কলস ইউনিয়নের বায়তুল মোকাররম নোয়াখালী বাজার জামে মসজিদ, শান্তিগঞ্জ হাজী আবদুল মজিদ জামে মসজিদ, ডুংরিয়া বাজার মসজিদ, ঘরুয়া পাঞ্জেখানা মসজিদ ও ডুংরিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠ রয়েছে তালিকায়।
উপপেজলা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ পেয়ে খুশি এলাকাবাসী। বিশেষ করে বিভিন্ন কবরস্থান ও শ্মশানের বরাদ্দ সাধারণ মানুষকে আপ্লুত করেছে। শান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম আহমদ বলেন, মন্ত্রী মহোদয়ের উপর কৃতজ্ঞতার শেষ নেই নেই। তিনি উপজেলার ২৫টি মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান ও শ্মশানে ৭৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এলাকার অনেক উপকার হবে। এমন মন্ত্রীই আমরা চেয়েছিলাম এবং পেয়েছি। ভবিষ্যতেও মন্ত্রী মহোদয়কে আমাদের দরকার। তিনি যেভাবে এলাকার কথা চিন্তা করেন, আমাদের সকলের উচিৎ হবে মন্ত্রী মহোদয়ের হাতকে আরো শক্তিশালী করা।
পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমিও এই মাত্র খবর পেলাম। ফেসবুকেও দেখলাম। এটা অত্যন্ত ভালো খবর আমাদের জন্য। মন্ত্রী মহোদয়কে অসংখ্য ধন্যবাদ। তিনি আমাদের কথা চিন্তা করেন, সব সময় ভাবেন। তাঁর প্রতি অসংখ্য কৃতজ্ঞতা। ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে মন্ত্রী স্যারকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
শান্তিগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জ্যোতি ভূষণ তালুকদার ঝন্টু বলেন, শ্মশান ও মন্দিরে বরাদ্দ দেওয়ায় আমরা খুশি। মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেনো আমাদের প্রিয় মন্ত্রী মহোদয়কে সুদীর্ঘ জীবন দান করেন।
শান্তিগঞ্জ ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি শায়খ মাও. জামাল উদ্দিন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, মন্ত্রী মহোদয়ের পক্ষ থেকে মসজিদ, কবরস্থানের উন্নয়ন ও নির্মাণের জন্য বরাদ্দ হয়েছে জেনে আমরা খুবই খুশি হয়েছি। তাঁর জন্য আমরা সবাই দোয়া করবো। আল্লাহ্ যেনো আমাদের মন্ত্রী মহোদয়কে নেক হায়াত দান করেন এবং আরো বেশি বেশি মসজিদ, মাদদ্রাসা কবরস্থানের উন্নয়নে বরাদ্দ দিতে পারেন। আমরা আল্লাহ তা’লার কাছে তার সুস্থ্যতা ও হায়াতে তায়্যিবা কামনা করি।