৫০ হাজার টাকায় মুক্তি নিলেন ভুয়া প্রাণি চিকিৎসক

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
তিনি একজন কৃত্রিম প্রজনন কর্মী। অথচ তিনি নিজেকে পরিচয় দেন ভ্যাটেরিনারী সার্জন হিসেবে। কৃত্রিম প্রজননের পাশাপাশি গ্রামেগঞ্জে করেন প্রাণি চিকিৎসা। সাথে রাখেন এন্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ঔষধপত্র ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম। সুযোগ পেলে করেন সার্জারি। বুধবার দুপুর দুইটায় সোহেল মিয়া নামে এমন ভুয়া চিকিৎসকের সন্ধান মিলেছে ধর্মপাশা উপজেলার কামলাবাজা এলাকায়। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সোহেলের কাছে থাকা বিভিন্ন ঔষধপত্র চিকিৎসা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসির হাসান। সোহেল মিয়া নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বড়তলী বানিয়াহাড়ি ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের শেখান্দার আলী ছেলে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভ্যাটেরিনারি সার্জন আল মাহমুদ হাসান জানান, সোহেল ধর্মপাশা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের একজন স্টাফ হিসেবে পরিচয় দিয়ে খামারীদের সাথে প্রতারণা করে আসছে। রেজিস্টার ভ্যাটেরিয়ান ব্যতিত কেউ এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার করতে পারেনা। অথচ সোহেল ধর্মপাশা উপজেলায় বিভিন্ন প্রাণির চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রাণি চিকিৎসক হিসেবে সোহেলের ভিজিটিং কার্ডও রয়েছে।
সোহেল মিয়া বলেন, ‘আমার ভুল হয়েছে। এমনটি করা উচিত হয়নি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসির হাসান বলেন, ‘সোহেলকে সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদ-ের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে তিনি জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মুক্তি নিয়েছেন।’