৭ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার
ওয়েজখালী বাজার থেকে ফিরোজপুর যাওয়ার সড়কটির বেহাল দশা। সিএনজি কিংবা অটোরিক্সা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। ছোট বড় অনেক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এই সড়কে। এসব গর্তে গাড়ির চাকা পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
পৌরসভার আবাসিক ও অনাবাসিক এলাকার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ওয়েজখালী। আবাসিক ও বাণিজ্যিক দুইভাবেই এই এলাকা এখন সরগরম। বিসিক শিল্প নগরী ওয়েজখালী এলাকায় অবস্থিত।
ওয়েজখালী’র ব্যস্ততম এলাকা ওয়েজখালী বাজার। ফিরোজপুর, জলিলপুর, ফকিরনগর, শ্রীপুর, হবতপুর সহ সুরমা নদীর ওপাড়ের গ্রাম থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের জমায়েত ঘটে এই বাজারে। সুরমা নদীর পাড়ে বাজার হওয়ায় গড়ে উঠেছে অটো রাইস মিল। এছাড়াও এসব এলাকার মানুষদের শহরে যাতায়াতের সড়ক এটি। সড়কে খানাখন্দ থাকায় এসব এলাকার মানুষের বাজারে আসতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বাজার থেকে নদীরঘাট পর্যন্ত সড়কটি মাটির। পাকা করা হয়নি। একারণে সড়কে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত হয়ে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে।
এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা যায়, বর্ষাকালে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা যায় না। একটু বৃষ্টি হলেই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের হাঁটু পরিমাণে কাদা পাড়িয়ে যেতে হয়।
ফিরোজপুরের বাসিন্দা মো. ইমাম উদ্দিন বলেন, ‘বৃষ্টি হইলে এই রাস্তায় পেক (কাদা) হয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা ইস্কুলও যাইতে জামা কাপড়ও পেক লাগি যায়। জোতা খুয়াইয়া যাওয়া লাগে। কয়দিন আগে একটা গাড়ি উল্টি গেছে। ফিরোজপুর পাড় হইয়াই পুরাতন ব্লকের রাস্তা। ই রাস্তাও খারাপ, অখন গাড়ি চলতে পারে না।’
জলিলপুরের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম বলেন, জলিলপুরে ব্লকের সড়ক ভেঙে গেছে। মানুষ অনেক কষ্ট করে চলাচল করে। আমাদের গ্রামের পরে মাটির সড়ক। এখনো পাকাকরণ করা হয় নি। বৃষ্টি হলে কাদা লেগে যায়।
ফিরোজপুরের আরেক বাসিন্দা মো. তবলুর হক বলেন, প্রায় ৭ টি গ্রামের মানুষকে এই সড়ক দিয়ে ওয়েজখালী বাজারে আসতে হয়। কিন্তু এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে আছে। বৃষ্টি হলে কাদা জমে মনে হয় আবর্জনার ভাগাড় হয়ে আছে সড়কটি। পৌরসভা এই সড়কটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয় নি।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোশাররফ হোসেন বলেন, ঐ এলাকার সড়কগুলো সংস্কারের জন্য আমরা নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। খুব দ্রুত সেগুলো বাস্তবায়ন করে মানুষের দুর্ভোগের অবসান ঘটানো হবে।