৮ উপজেলায় পানিবন্দি ১ লাখ ৪ হাজার

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। শনিবার বিকালে শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৮৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এদিকে, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জেলার ৮ উপজেলায়ই বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৪ হাজারে। অবশ্য বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরো অনেক বেশি। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ফরিদুল হক জানিয়েছেন, সরকারি উদ্যোগে ১০ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হলেও দুর্গতরা আশ্রয় কেন্দ্রে আসছে না। তবে দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এই পর্যন্ত বন্যার্তদের সহায়তার জন্য ৫০০ টন চাল, সাড়ে ১০ লাখ টাকা এবং ৫২৩৫ প্যাকেট শুকনো খাবার এসে পৌঁছেছে।
এদিকে, বিকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদর ও বিশম্ভরপুর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা হয়েছে। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরিফুল ইসলাম।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বিরোধী দলীয় হুইপ অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এমরান হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়তুননবী, পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ভুইয়া, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সমীর বিশ্বাস, সদর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত ফাতিমা, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা কেয়া ও আবুল হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল বরকত ও নুরুল হক প্রমুখ।
সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্ বলেন, বন্যায় সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি আছে। ত্রাণসামগ্রী যা প্রয়োজন তা দেওয়া হবে। তবে প্রতিটি বন্যার্ত মানুষের হাতে যেন ত্রাণ পৌঁছে।