আটঘর গ্রামের ৫ টি বাড়ি লডকাউন ঘোষণা

জগন্নাথপুর অফিস
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শঙ্কায় জগন্নাথপুরের মিরপুর ইউনিয়নবাসী। শনিবার দুপুর জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহ ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মধু সুদন ধর’র নেতৃত্বে প্রশাসনিক একটি দল ওই ইউনিয়নের আটঘর গ্রামের ৪ থেকে ৫ টি বাড়ি লডকাউন ঘোষণা দেন। এছাড়া আটঘর ও স্থানীয় কেউনবাড়ি বাজারের জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ও অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা দেন।
জানা যায়, উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের আটঘর গ্রামের তরুণ সমাজকর্মী লিটু খান গত ৪ জুন করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুর কয়েকদিন পর গত ১০ জুন একই এলাকার এক পরিবারের তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। আক্রান্তরা হোম আইসোলেশনে আছেন।
এদিকে গতকাল প্রশাসনের পক্ষ থেকে আটঘর এলাকায় করোনা মারা যাওয়া লিতু খানের বাড়িসহ পাশের আরো ৩ থেকে ৪টি বাড়ি লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। ওই সব বাড়ির লোকজনকে ১৪ দিন হোম কোরেন্টাইনে থাকতে হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মধু সুদন ধর বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আটঘরের ৪ থেকে ৫টি বাড়ি লকডাইন ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া আমরা আটঘরের বাড়ি বাড়ি ও বাজারের ব্যবসায়িদের দোকানে দোকানে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের জন্য জনসচেতনামূলক প্রচারণা করেছি।
তিনি জানান, জগন্নাথপুরে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৩৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে ১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। সুস্থ হয়েছেন ২২৪ জন। ১৩ জন হোম আইসোলেসনে এবং ১ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন, করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তির বাড়ি ও নতুন করে আক্রান্ত পরি¦বারসহ আটঘর ও কেইনবাড়ি বাজারের লোকজনকে সরকারি নির্দেশনা অনুয়ায়ি স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে বের না হওয়ার জন্য আমরা নির্দেশ দিয়েছি।