উট পাখি নিয়ে ‘কাড়াকাড়ি’

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনে বুধবার বিকেলে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার’র কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বন্টন করা হয়। মেয়র পদে পাঁচ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন ও মহিলা কাউন্সিলর পদে ৯ জন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, মেয়র পদে ৫ প্রার্থী ও মহিলা কাউন্সিলর পদে ৯ প্রার্থী সমঝোতার মাধ্যমে প্রতীক বন্টন করে নেন। কিন্তু সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক নিয়ে লড়াই হয়। প্রায় সব প্রার্থীর পছন্দের তালিকায় ছিল উটপাখি। দ্বিতীয় পছন্দের তালিকায় পানির বোতল। তাই লটারির মাধ্যমে প্রতীক বন্টন করা হয়েছে।
সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীরা জানান, এবারের নির্বাচনী প্রতীকের মধ্যে উটপাখি আর পানির বোতল ছিল পছন্দের প্রতীক। অন্য প্রতীকগুলো তেমন আকর্ষনীয় ছিল না। ব্যালেটে উটপাখি ও পানির বোতল স্পষ্ট করে বুঝতে পারে সব শ্রেণির ভোটাররা। তাই আমাদের পছন্দ ছিল উটপাখি ও পানির বোতল প্রতীক।
জগন্নাথপুর পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল কাদির জানান, নির্বাচনে প্রতীক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তাই লটারির মাধ্যমে পছন্দের প্রতীক উটপাখি পেয়ে খুশি হয়েছি।
দেলোয়ার হোসেন নামে ৪ নং ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী জানান, পছন্দের প্রতীক পানির বোতল পেয়ে আমি আনন্দিত।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার বলেন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে উটপাখি ও পানির বোতল প্রতীক ছিল প্রায় সবার পছন্দ। তাই বাধ্য হয়ে লটারির মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা করতে হয়েছে।
তিনি বলেন, জগন্নাথপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র ও মহিলা কাউন্সিলর পদে প্রার্থীরা নিজেরাই সমঝোতার মাধ্যমে প্রতীক নিয়ে যান। সাধারণ কাউন্সিলরদের প্রতীক লটারির মাধ্যমে প্রতীক নির্ধারণ করতে হয়। মেয়র পদে ৫ সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন ও মহিলা কাউন্সিলট পদে ৯ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন।