এক সপ্তাহে চার যুবকের মৃত্যু, জগন্নাথপুরে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা

জগন্নাথপুর অফিস
গত এক সপ্তাহে জগন্নাথপুরের চার যুবকের মৃত্যুতে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠ আর আতঙ্ক দেখা দিয়েছে জনসাধারণের মধ্যে। জানা যায়, গত রবিবার বিকেলে জগন্নাথপুরের চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের চিলাউড়া গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে বাহরাইন প্রবাসি মিনজাহ আলম মুর্শেদ (২১) ও তাঁর বাল্যবন্ধু একই এলাকার মৃত আব্দুল খালিকের ছেলে ব্যবসায়ী শারজান মিয়া (২৪) রানীগঞ্জের গন্ধর্বপুর এলাকায় মোটরসাইকেল ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এঘটনার ৫ দিন পূর্বে জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের পাশে শহরের কামাল কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় একটি স্টুডিওর মালিক আনন্দ সরকার’র (২৩) জবাইকৃত মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। ব্যবসায়ীকে নৃংশসভাবে জবাই করে হত্যার পর তাঁর দোকানঘর তালাবদ্ধ করে খুনিরা পালিয়ে যায়। এঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার কিংবা হত্যার রহস্য জানতে পারেনি। গত ২ ডিসেম্বর সিলেটের রশিদপুরের নাজিরবাজার এলাকায় জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের দোস্তপুর গ্রামের ট্রলি চালক বাবুল মিয়ার ছেলে ৮ম শ্রেণীর ছাত্র কামরুল ইসলাম (১৫) দুর্বৃত্তদের হামলায় আহতাবস্থায় সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকালে মারা যায়। এক সপ্তাহের মধ্যে জগন্নাথপুরের এই চার যুবকের মৃত্যুতে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
জগন্নাথপুরের শিক্ষক সাইফুল ইসলাম রিপন বলেন, চলতি সপ্তাহে জগন্নাথপুরের চার যুবকের মৃত্যুতে আমরা উদ্বিগ্ন। চারজনের মধ্যে দুইজনকে হত্যা করা হয়। এরমধ্যে জগন্নাথপুর পৌর শহরের সদরে এক ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আরেক কিশোরকে সিলেটের রশিদপুরের নাজিরবাজার এলাকায় হত্যা করা হয়। এরমধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রবাসি যুবকসহ দুই যুবকের মৃতে্যুতে মানুষের মধ্যে উৎকষ্ঠা দেখা দিয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেল পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে চার যুবকের মৃত্যু অনাকাঙ্কিত। এরমধ্যে শহরে ব্যবসায়ী হত্যকা-টি লোম হর্ষনঘটনা। এঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, জগন্নাথপুরের ব্যববাসী হত্যাকা-ের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এরমধ্যে সড়ক দুঘর্টনায় নিহত দুই যুবকের মরদেহ ময়না তদন্তের পর পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।