এমএ মান্নান বললেন, আমি আবেগে আপ্লুত

স্টাফ রিপোর্টার
হাওরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় এই প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের পর গণমাধ্যমে জানানো প্রতিক্রিয়ায় এমএ মান্নান এমপি বললেন, আমি গ্রামীণ একজন বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ, সরকারের একজন মন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ ভক্ত হিসেবে আজ আবেগে আপ্লুত, আনন্দিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কিছু বড় প্রকল্প একনেক’এ ইতিপূর্বে অনুমোদন হয়েছে। সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের জন্য মঙ্গলবার অনুমোদন হয়েছে এরকম একটি বিশেষ প্রকল্প। ২০১০ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাহিরপুরের জনসভায় সুনামগঞ্জ-নেত্রকোণা সড়ক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু হবে। হাওরের মাঝখান দিয়ে পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ সড়ক হবে। হাওরবাসীর প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভালবাসা ও স্নেহের বন্ধন আছে বলেই এই প্রকল্পটি একনেক’এ অনুমোদন হয়েছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাচনা-জামালগঞ্জের সেতুও হবে। হাওরাঞ্চলের চেহারা বদলে যাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে এই আকাক্সক্ষা মনে পোষণ করেছিলাম বহুদিন ধরে। এই প্রকল্পের সুফল ভোগ করবেন ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, মধ্যনগরসহ সুনামগঞ্জবাসী। ভাটি অঞ্চলের মানুষ উপকৃত হবেন বেশি। সারাবছর সড়ক পথে চলাচল করতে পারবেন তারা। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মনোরম দৃশ্য হবে হাওরাঞ্চলে। হাওরের হিজল-খরচসহ জীববৈচিত্র রক্ষা করে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে। পরিবেশ-প্রতিবেশ সবকিছু রক্ষা করেই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ।
হাওরবাসীর প্রতি অনুরোধ থাকলো তারা যেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করেন।