ওয়েজখালী- জলিলপুর সড়ক, খানাখন্দে বেহাল অবস্থা

পুলক রাজ
সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ-খোয়া উঠে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই জমছে পানি, কাদা। এর ওপর দিয়ে হেলেদুলে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। সড়কটি অনেক জায়গায় পিচ ও খোয়া উঠে নিচের মাটি বের হয়ে গেছে আবার কোথাও দেবে গেছে। অনেক সময় গাড়ি উল্টে যাওয়ার উপক্রম হয়। সড়কের কারণে মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দ ও গর্তের সংখ্যা বেড়ে সড়কটির অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে। বৃষ্টি হলে গর্ত ও খানাখন্দে জমা পানিতে এবং শুষ্ক সময়ে ধুলাবালুর দুর্ভোগের মধ্য দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
এ অবস্থা পৌর শহরের ওয়েজখালী মসজিদ মার্কেট হয়ে ওয়েজখালী নৌকা ঘাট এবং জলিলপুরের উত্তর দিকের ভাঙাচোরা সড়কের। সড়কটি এমনই বেহাল যার কারণে প্রায়ই ঘটছে ছোট বড় দুঘটনা, দুর্ভোগ পোহাচ্ছে চলাচলকারী হাজারো মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য অটোরিকশা, রিক্সা, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, ট্রাকসহ নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করে।
জমির উদ্দিন বলেন, অনেক দিন ধরে সড়কটি ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। এদিকে জনপ্রতিনিধিদের কোন নজর নেই। অথচ এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। নদী পাড়ি দিয়ে মানুষ আসা যাওয়া করে। আমরা চরম দুর্ভোগে আছি। সড়কটি দ্রুত সংস্কারের কাজ করার দাবি জানাই।
ইব্রাহিম আলী বলেন, ওয়েজখালী পয়েন্ট থেকে জলিলপুর উত্তর দিক পর্যন্ত সড়কের পিচ উঠে বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। চলার পথে গর্তগুলো এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই সড়ক নিয়ে অনেক অভিযোগ দেওয়ার পরও সংস্কারের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
কামরুল মিয়া বলেন, সড়ক ভাঙাচোরা থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। কিছুদিন আগে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে আমার হাতপায়ের ছাল উঠে গিয়েছিল। বৃষ্টি হলেই সড়কের এসব খানাখন্দে পানি জমে। এসব খানাখন্দে যানবাহন পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বৃষ্টির কারণে ও অত্যধিক যানবাহনের চাপে সড়ক থেকে ঢালাই সরে গেছে।
নয় নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম আহমদ সৈনিক বলেন, জলিলপুর উত্তর দিক শামছুর মুদির দোকান হয়ে ওয়েজখালী ঘাট, ওয়েজখালী মসজিদ পর্যন্ত ১২ ফুট প্রশস্ত করে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ফুট সড়ক নির্মাণ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিঘ্রই কাজ শুরু হবে।