কোটিপতি লাখপতিতে লড়াই

স্টাফ রিপোর্টার
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৫ প্রার্থীর মধ্যে সম্পদে এগিয়ে রয়েছেন সৈয়দ তালহা আলম। পেশাগত মাপকাঠিতে হলফনামায় তিনি নিজেকে খামার ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। হলফনামায় উল্লেখিত মূল্য অনুযায়ী তার সম্পদের পরিমাণ ৪,১৫,৪০,০৮৭ টাকা। নগদ টাকা তিনি ছাড়া আর কারোরই কোটির ঘর ছোঁয়ায়নি।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সৈয়দ তালহা আলম কৃষি খাত থেকে বছরে ৮০ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৪ লক্ষ ৮০ হাজার ৮৭ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২ কোটি টাকা, বাস, ট্রাক, মটরগাড়ি, মটরসাইকেল ২৪ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ৩ লক্ষ টাকা এবং নিজ ও স্ত্রী নামে ২০ ভরি স্বর্ণ ১৫ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে ১.৫০ শতক কৃষি জমি ১৪ লক্ষ টাকা, অকৃষি জমি ৩.০০ শতক ৩৫ লক্ষ টাকা, ৩.০০ শতকের উপর বাড়ি/এপার্টমেন্ট যার মূল্য ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও কৃষি ব্যাংক ও আই.ডি.এল.সি’তে দায়-দেনা ৫২,৯১,৫৯১ টাকা।
সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আকমল হোসেন কৃষি খাত থেকে বছরে ৬০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে ৩ লক্ষ টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২০ হাজার টাকা, নিজ ও স্ত্রীর নামে অলংকার ২৫ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ টাকা, আসবাবপত্র ১ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে ৩৩ শতক কৃষি জমি (মূল্য ২,০০০) টাকা এবং ২৫ শতক (৫০,০০০) টাকা, যৌথ মালিকানায় ৮.২২ একর, যৌথ মালিকানায় অকৃষি জমি ১.৬১ একর এবং একটি সেমিপাকা দালান।
স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তাদীর আহমদ মুক্তা কৃষি খাত থেকে বছরে ২ লক্ষ টাকা, পেশা (শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন, পরামর্শক ইত্যাদি) থেকে বছরে আয় ২ লক্ষ ২২ হাজার টাকা এবং প্রার্থীর উপর নির্ভরশীলদের আয় ৫ লক্ষ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে নগদ ৪০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২ লক্ষ ১ হাজার ২০০ টাকা, নিজ ও স্ত্রীর নামে ৫ লক্ষ টাকা, নিজ নামে মোবাইল ৫০ হাজার টাকা, নিজ ও স্ত্রীর নামে ১০ ভরি স্বর্ণ ২ লক্ষ টাকা এবং ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, অন্যান্য ৪ লক্ষ টাকা।
বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আতাউর রহমান ব্যবসা থেকে বছরে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ৩০ হাজার টাকা, নিজ নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ২১ লক্ষ ৭৪ হাজার ৪০২ টাকা, পুরাতন মডেলের জীপগাড়ি ৪৫ হাজার টাকা, স্বর্ণ ২ ভরি ৮০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৪০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ২০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে অকৃষি জমি ২২ শতক, ২৩৪০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট বাসা।
যুক্তরাজ্য প্রবাসী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্বাস উদ্দিন চৌধুরী বাড়ি/এপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া থেকে বছরে আয় করেন ৩ লক্ষ ৪২ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নিজ নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৩ লক্ষ ৮৪৬ টাকা, বিভিন্ন যানবাহন ২৬ লক্ষ টাকা, স্বর্ণ ও অলংকারাদি ৫ লক্ষ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে যৌথ মালিকানায় কৃষি জমি ৭.৫০ একর এবং অকৃষি জমি ১.৫০ একর, বাড়ি/এপার্টমেন্ট ৩.১৫ একর
উল্লেখ্য, আগামী ২ নভেম্বর জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে।