ক্যাম্পাসে হবে ‘চন্দ্রফলক’ এবং ‘সুনামফলক’

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের প্রধান দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৫ বছর পূর্তি উৎসবকে স্মরণিয় করে রাখার জন্য ‘চন্দ্রফলক’ এবং ‘সুনামফলক’ হবে। আগামী মাসেই এই দুটি ফলকের ডিজাইন তৈরি করার জন্য খ্যাতিমান ভাস্কর হামিদুজ্জামান খানকে অনুরোধ জানানো হবে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল হাকিম এই তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে গেল ১৮ মার্চ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আরিফুর রহমানকে সুনামগঞ্জের সন্তান বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কবি ও গবেষক ড. মোহাম্মদ সাদিক এই দুটি স্থাপনা নির্মাণের অনুরোধপত্র পাঠিয়েছিলেন।
ড. মোহাম্মদ সাদিক তাঁর অনুরোধ পত্রে লিখেছিলেন সুনামগঞ্জের প্রধান দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারী সতীশ চন্দ্র গার্লস হাইস্কুল এবং সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ’এর ইতিপূর্বে ৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান হয়েছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থী এই দুই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে, বিশিষ্টজন, এমনকি জাতীয়ভাবে যাঁদের অবদান রয়েছে তাঁরাও উপস্থিত ছিলেন। এই দুই অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য নিবন্ধিত শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে স্মৃতিফলক তৈরির জন্য তাঁদের আগ্রহের কথা একাধিকবার জানিয়েছেন।
এই অনুরোধপত্রের প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর চন্দ্রফলক এবং সুনামফলক শিরোনামে দুটি ৭৫ বর্ষ উদযাপন স্মৃতিফলক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল হাকিম জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ এবং সরকারী সতীশ চন্দ্র গার্লস হাইস্কুলের প্রাক্তনদের আগ্রহ এবং বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক স্যারের অনুরোধে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এই দুটি স্মৃতিফলক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা আশা করছি প্রখ্যাত ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মতোই এই দুটি প্রতিষ্ঠানের স্মৃতিফলকের ডিজাইন তৈরি করে দেবেন। আগামী মাসেই স্মৃতিফলক নির্মাণের বরাদ্দ পাওয়া যাবে।
কবি ও গবেষক ড. মোহাম্মদ সাদিক বললেন, এই স্মৃতিফলকগুলো ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে আজকের বার্তা শুধু বয়ে নিয়ে যাবে তা নয়, প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস অধ্যয়নের মাধ্যমে জাতীয় ইতিহাস অধ্যয়নের বিষয়ে সচেতন হওয়ার একটি সুযোগ তৈরি করে তুলবে। তিনি জানান, যে দুটি প্রতিষ্ঠানের স্মৃতিফলক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অনেকেই আমাদের স্বাধীকার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন।